৮ সেপ্টেম্বর, আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে জেলা শিক্ষা অফিস, খুলনা এর সার্বিক সহযোগিতায় সচেতন নাগরিক কমিটি ( সনাক) খুলনা, টিআইবি এর আয়োজনে সবুরণনেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, খুলনা তে আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সবুরণনেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক জনাব ফাহিমা পারভিন স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার, খুলনা জনাব খোন্দকার রুহুল আমিন, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সবুরেন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও ২৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব সাইফুল ইসলাম। সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) খুলনা এর সম্মানিত সভাপতি জনাব মনোয়ারা বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটিতে মুখ্য আলোচক ছিলেন সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) খুলনা এর শিক্ষা উপকমিটির আহবায়ক জনাব রীনা পারভীন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন নিরক্ষরতা এই একবিংশ শতাব্দীতে গ্রহণযোগ্য না, গত কয়েক দশকে সাক্ষরতায় বাংলাদেশ এগোলেও এখনও ২৪ ভাগের বেশি মানুষ অন্ধকারেই রয়ে গেছে। আমরা যদি সম্মিলিত ভাবে চেষ্টা করি তাহলে আমরাদের ১০০ ভাগ মানুষ স্বাক্ষরতা অর্জন করতে পারে। সেজন্য প্রয়োজন লক্ষ্য অর্জনে সচেতনভাবে কাজ করা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা শিক্ষা অফিসার বলেন ‘ আমরা গত কয়েক দশকে সাক্ষরতায় অনেক এগিয়েছি, এখন দরকার গুনগত শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে সোনারবাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যেকে প‚রণ করা’। আমাদের সাক্ষরটার হার ১০০ ভাগ করার লক্ষ্যে ছাত্র ছাত্রীদের এগিয়ে আসার আহŸান জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব সাইফুল ইসলাম বলেন ‘ সনাক, টিআইবি এর উদ্যোগ নিঃসন্দেহে আমাদের স্কুলের গুনগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপ‚র্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আমি মনেকরি, আমরা সম্মিলিত ভাবেই বঙ্গবন্ধুর সোনারবাংলা নির্মাণে কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও করে যেতে চাই’। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সনাক সদস্য জনাব রোজী রহমান, সঞ্জয় কুমার সাহা, সক্রিয় নাগরিক দল এর আহবায়ক জনাব মোঃ খলিলুর রহমান, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষিকাগণ।
অনুষ্ঠানে প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজে অংশগ্রহণ করে, অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করেন ইয়েস ও সক্রিয় নাগরিক দল এর সদস্যগন। অনুষ্ঠান শেষে সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) এর সম্মানিত সভাপতি এবং অনুস্থানের সভাপতি অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ দেন, বিশেষকরে স্কুল ও শিক্ষা কর্তৃপক্ষকে। সকলকে সম্মিলিত ভাবে কাজের মাধ্যমে নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহব্বান জানিয়ে তিনি আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

