আফ্রিকান দৈত্যাকার হাতিগুলোর মধ্যে একটি কেনিয়ার সাভো ইস্ট ন্যাশনাল পার্কে ছিল একমাত্ৰ অবশিষ্ট ছিল দিদা নামের হাতিটি। ৬৫ বছর বয়সের সেই হাতিটির মৃত্যু হয়েছে। লম্বা দাঁতের জন্য সকলের কাছে পরিচিত ও হাতিগুলো।

কেনিয়া ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দিদা নামের হাতিটি প্রাকৃতিক কারণে মারা গেছে। খবর আল জাজিরার


বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘আমরা দিদার মৃত্যুতে শোকাহত, হাতিটি সম্ভবত আফ্রিকার সবচেয়ে বড় মহিলা টাস্কার এবং সাভো ইস্ট ন্যাশনাল পার্কে বসবাসকারী মাতৃপতি ছিল। বার্ধক্যজনিত কারণে প্রাকৃতিক কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ৬০-৬৫ বছর বয়সে পূর্ণ জীবন যাপন করেছে হাতিটি।’

দিদা নামের বর্ষীয়ান হাতিটিকে সাভোর একজন সত্যিকারের আইকনিক বয়স্ক হাতি মাতৃপতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাকে বহু দশকের জ্ঞানের এক মহান ভান্ডার বলা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘যারা ছবি এবং ভিডিওর মাধ্যমে তাকে চিনেছেন এবং সেই সঙ্গে যারা তাকে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার দুর্দান্ত আনন্দ পেয়েছেন তারা তাকে মনে রাখবেন।’

দিদা তার দাঁতের জন্য পরিচিত ছিল যা মাটিতে প্রসারিত ছিল যা একটি মহিলা হাতির ক্ষেত্রে বিরল। মহিলা হাতির দাঁত এত লম্বা দেখা যায় না, কিন্তু দিদা ছিলেন ব্যতিক্রম এবং শুধুমাত্র কেনিয়া নয় সমগ্র আফ্রিকার সবচেয়ে বিরল আইকনিকদের মধ্যে একটি ছিল এটি।

হাতির দাঁতের ব্যাপক চোরাচালান সারা বিশ্বে হাতির সংখ্যাকে অনেকাংশে হ্রাস করেছে। সাম্প্রতিককালে, সারা বিশ্বে সরকারের কঠোর পদক্ষেপের ফলে চোরা শিকারীদের কারবার অনেকটা কমেছে।