এই সাইটটি ভিজিটের মাধ্যমে এই সাইটের সকল প্রাইভেসি শর্তসমূহ আপনি সমর্থন করছেন
Accept
Protidin Shebok NewsportalProtidin Shebok Newsportal
Notification Show More
Aa
  • জাতীয়
    • ঢাকা
    • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • খুলনা বিভাগ
    • উপজেলা
    • খুলনা জেলা
    • বাগেরহাট
    • সাতক্ষীরা
    • যশোর
    • মাগুরা
    • চুয়াডাঙ্গা
  • খেলাধুলা
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • সম্পাদকীয়
  • অন্যান্য
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • রুপচর্চা
    • ধর্ম
    • সফলদের গল্প
    • রাজনীতি
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • আদালত
    • চাকরি-বাকরি
    • টেক নিউজ
    • বিচিত্র
    • ফিচার
  • বিনোদন
Reading: বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৫০তম শাহাদাতবার্ষিকী
Aa
Protidin Shebok NewsportalProtidin Shebok Newsportal
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • খুলনা বিভাগ
  • খেলাধুলা
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • সম্পাদকীয়
  • অন্যান্য
  • বিনোদন
খুঁজুন
  • জাতীয়
    • ঢাকা
    • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • খুলনা বিভাগ
    • উপজেলা
    • খুলনা জেলা
    • বাগেরহাট
    • সাতক্ষীরা
    • যশোর
    • মাগুরা
    • চুয়াডাঙ্গা
  • খেলাধুলা
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • সম্পাদকীয়
  • অন্যান্য
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • রুপচর্চা
    • ধর্ম
    • সফলদের গল্প
    • রাজনীতি
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • আদালত
    • চাকরি-বাকরি
    • টেক নিউজ
    • বিচিত্র
    • ফিচার
  • বিনোদন
Follow US
Protidin Shebok Newsportal > Blog > জাতীয় > বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৫০তম শাহাদাতবার্ষিকী
জাতীয়

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৫০তম শাহাদাতবার্ষিকী

Last updated: ২০২১/১২/১০ at ২:০৭ অপরাহ্ণ
সিনিয়র এডিটর Published ডিসেম্বর ১০, ২০২১
Share
SHARE

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন ছিলেন অদম্য এক সাহসী যোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, তিনি তাদের অন্যতম। এই বীর সন্তানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিবিকী ১০ ডিসেম্বর ২০২১। বিজয়ের ঠিক ৬ দিন আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে খুলনার রূপসা নদীতে রণতরী পলাশে যুদ্ধরত অবস্থায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর জঙ্গি বিমানের গোলার আঘাত এবং রাজাকারদের নির্যাতনে শহীদ হন তিনি।

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন ১৯৩৫ সালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৩ সালে রুহুল আমিন জুনিয়র মেকানিক্যাল হিসেবে পাকিস্তান নৌবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের মার্চে রুহুল আমিন চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর একদিন সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে তিনি বের হয়ে যান নৌঘাঁটি থেকে। পালিয়ে সীমান্ত পার হয়ে চলে যান ত্রিপুরা এবং যোগ দেন দুই নম্বর সেক্টরে। 

বিজ্ঞাপন
Ad imageAd image

মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে দুই নম্বর সেক্টরে তিনি সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং স্থলযুদ্ধের বিভিন্ন অভিযানে যোগ দেন। পরবর্তীতে ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন নৌবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আগরতলায় একত্রিত হয়ে কলকাতায় আসেন এবং যোগ দেন ১০ নং নৌ সেক্টরে।

পরবর্তীকালে অবস্থার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নিজস্ব একটি নৌবাহিনী তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ভারতীয় নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন মণীন্দ্রনাথ সামন্তের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন সেক্টর ও সাব-সেক্টর থেকে নৌবাহিনীর সদস্যদের একত্রিত করার ব্যবস্থা করা হয়। আর এ উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠিত হলে কলকাতায় চলে আসেন। ভারত সরকার বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীকে কলকাতা বন্দরে গার্ডেনরিচ ডক ইয়ার্ডে দুইটি গানবোট উপহার দেয়। সেখানে প্রতিটি বোটে কানাডীয় ধরনের ২টি বাফার গান লাগিয়ে এবং ব্রিটিশ ধরনের ৫০০ পাউন্ড ওজনের ৪টি মার্কমাইন বহনের উপযোগী করে গানবোটে রূপান্তর করা হয়। গানবোটগুলোর নামকরণ করা হয় ‘পদ্মা’ ও ‘পলাশ’। রুহুল আমিন পলাশের প্রধান ইঞ্জিনরুমে আর্টিফিসার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

সে সময় পাকিস্তানি বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত খুলনাস্থ নৌঘাট দখল করার পরিকল্পনা নিয়ে ভারতীয় গানবোট পাভেলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১০ ডিসেম্বর মংলা বন্দরে পৌঁছান। সেখানে পাকিস্তানি সেনা ও নৌবাহিনী আত্মসমর্পণ করে। ‘পলাশ’ ও ‘পদ্মা’ মংলা বন্দর হয়ে খুলনার দিকে রওয়ানা দেয়। গানবোট ‘পাভেল’ সামনে আর পেছনে ‘পলাশ’ ও ‘পদ্মা’।

খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে পাকিস্তানি যুদ্ধ প্লেন থেকে মুক্তিবাহিনীর গানবোট ‘পদ্মা’য় বোমাবর্ষণ করে। এই সময় ‘পদ্মা’র প্রধান ইঞ্জিনরুমের আর্টিফিসার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন রুহুল আমিন। গোলা সরাসরি ‘পদ্মা’র ইঞ্জিন রুমে আঘাত করে। কিন্তু অসীম সাহসী রুহুল আমিন তারপরও চেষ্টা চালিয়ে যান ‘পলাশ’কে বাঁচানোর। 

বিজ্ঞাপন
Ad image

তবে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় আগুন ধরে যায় এবং গোলার আঘাতে রুহুল আমিনের ডান হাতটি সম্পূর্ণ উড়ে যায়। অবশেষে পলাশের ধ্বংসাবশেষ পেছনে ফেলেই আহত রুহুল আমিন ঝাঁপিয়ে পড়েন রূপসা নদীতে। প্রাণশক্তিতে ভরপুর এ যোদ্ধা একসময় পাড়েও এসে পৌঁছান। কিন্তু ততক্ষণে সেখানে রাজাকারের দল অপেক্ষা করছে তাঁর জন্য। আহত এ বীর সন্তানকে তারা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে রূপসার পাড়েই। 

পরবর্তীতে স্থানীয় জনসাধারণ বাগমারা গ্রামে রূপসা নদীর পাড়ে রুহুল আমিনকে দাফন করেন এবং সেখান একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। 

বাংলাদেশের স্বাধীনতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সাতজন বীর সন্তানকে মরণোত্তর বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। রুহুল আমিন সেই সাতজনের অন্যতম।

মরনোত্তর বিভিন্ন সময়ে নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে। তাঁর নামে রো রো ফেরির নামকরণ করা হয় বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন। তাঁর জন্মস্থান নোয়াখালীর বাগপাদুরা গ্রামের নাম পরিবর্তন করে এখন রাখা হয়েছে আমিননগর। বাড়ির সম্মুখে ২০ শতাংশ জমিতে সরকারের উদ্যোগে নির্মাণ করা হয়েছে রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার। চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন নামে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়েছে।

You Might Also Like

নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে বসে পড়লো ছাত্রদল

নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল

পার্টিকে নিষিদ্ধ করেছে, ব্যক্তিকে তো নিষিদ্ধ করেনি— আইনজীবীকে ইসি মাছউদ

ফেসবুকে শীর্ষদের তালিকায় ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে তারেক রহমান

‘জাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব’

সিনিয়র এডিটর ডিসেম্বর ১০, ২০২১ ডিসেম্বর ১০, ২০২১
Leave a comment

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশক – আলি আবরার

সম্পাদক- মারুফ হোসেন 

সহযোগী সম্পাদক- জুলকার নাইন 

নিউজরুম – শেরে বাংলা রোড, নিরালা, খুলনা

যোগাযোগ–  ৮৮০২৪৭৮৮৪৫৩২৬

 protidinshebok@gmail.com, mail@protidinshebok.com

Protidin Shebok NewsportalProtidin Shebok Newsportal

Developed by Proxima Infotech and Ali Abrar

adbanner
AdBlock Detected
Our site is an advertising supported site. Please whitelist to support our site.
Okay, I'll Whitelist
Welcome Shebok Admin

SIgn in Protidin Shebok as an Administrator

Lost your password?