নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে সার্চ কমিটি ১০ জনের নামের তালিকা জমা দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি এই তালিকা থেকে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও চারজন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) নিয়োগ দেবেন।

শিগগিরই সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ। নতুন এই নির্বাচন কমিশনের উপরই থাকবে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ভার।

নতুন ইসি গঠনের এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত হয়নি বিএনপি। সার্চ কমিটি তাদের প্রস্তাবিত ১০ নাম প্রকাশ না করলেও গঠিতব্য ইসির উপরও আগাম অনাস্থা প্রকাশ করেছেন দলটির নেতারা।

গত দুই বার সার্চ কমিটির মাধ্যমে ইসি গঠন হলেও এবার তা হয়েছে আইনের মধ্য দিয়ে। দীর্ঘকাল ধরে না হওয়া আইনটি এবার প্রণয়নের পর গত ৫ ফেব্রুয়ারি ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করে দেন রাষ্ট্রপতি।

পরদিন দায়িত্ব নেওয়ার পর নামের প্রস্তাব আহ্বান করে সার্চ কমিটি, বৈঠক করে বিশিষ্টজনদের সঙ্গে। তাতে ৩২২টি নাম জমা পড়ার পর ধীরে ধীরে তা কমিয়ে আনতে থাকে।

মঙ্গলবার বিকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে নিজেদের সপ্তম বৈঠকে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান নেতৃত্বাধীন এই সার্চ কমিটি।

কমিটির বাকি পাঁচ সদস্য বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন, লেখক-অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক, মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক (সিএজি) মুসলিম চৌধুরী এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইনও বৈঠকে ছিলেন।

ওই বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আজ সার্চ কমিটি তাদের বৈঠক শেষ করে ১০ জনের নাম ফাইনাল করেছে। তারা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে এটা জমা দেবেন। উনাদের মিটিং শেষ, সিলেকশনও শেষ; সব কিছু উনারা ফাইনাল করে ফেলেছে।

সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার পদে কাউকে সুপারিশের ক্ষেত্রে তার তিনটি যোগ্যতা থাকতে হবে। তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে; বয়স ন্যূনতম ৫০ বছর হতে হবে; কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত পদে বা পেশায় পদে অন্তত ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

‌পিএসএন/এমঅ‌াই