ইউএস ওপেনের দুই ফাইনালিস্ট চূড়ান্ত হওয়ার পরই জানা যায় এবার নতুন তারকার হাতে উঠতে যাচ্ছে শিরোপা। সেখানে কার্লোস আলকারাজ আর ক্যাসপার রুদের ফাইনালে স্প্যানিশ তারকার সুযোগ ছিল ইতিহাস গড়ার। ১৯ বছর বয়সী আলকারাজ রোববারের ফাইনাল জিতে ক্যারিয়ারে প্রথম মেজর জয় ও সবচেয়ে তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে এটিপি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর হওয়ার রেকর্ড গড়লেন।
নরওয়ের প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে ইউএস ওপেনের ফাইনালে উঠা রুদকে চার সেটের ম্যাচে গতকাল পরাস্ত করলেন আলকারাজ। তাতে রীতিমতো ইতিহাসই গড়লেন তিনি।
ফ্লাশিং মিডোসে জিতলে আলকারাজ বা রুদ উভয়ের সামনেই সুযোগ ছিল বিশ্বের এক নম্বর হওয়ার। সেটি গতকাল ৬-৪, ২-৬, ৭-৬ (৭-১), ৬-৩ গেম ব্যবধানে হারিয়ে করে দেখালেন আলকারাজ।
এ জয়ে রাফায়েল নাদালের দেশের তরুণ তুর্কি পিট সাম্প্রাসের পরে টেনিসের উন্মুক্ত যুগে দ্বিতীয়-কনিষ্ঠ ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন। আর সেইসাথে হলেন সবচেয়ে কম বয়সে পুরুষদের টেনিস র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর।
প্রথমবারের মতো গ্র্যান্ডস্লাম শিরোপা জয়ের পথে ফাইনালের আগের তিন রাউন্ডের প্রতিটিতে আলকারাজ পাঁচ সেট ম্যাচ জয় করে আসেন। এবং ফাইনালেও নতুন দুই নম্বর টেনিস তারকা রুদের বিপক্ষে দিতে হলো কঠিন পরীক্ষা।
এই স্প্যানিয়ার্ডের তার প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা জেতার যে দক্ষতা বা ক্ষমতা আছে সেটি আগের কয়েকটি মেজর টুর্নামেন্টে তার পারফরম্যান্স দেখলেই বুঝা যায়। অবশেষে শিরোপা ধরা দিল যুক্তরাষ্ট্রে। ২০০৫ ফ্রেঞ্চ ওপেনে নাদালের পর তারই স্বদেশি আলকারাজ হলেন সবচেয়ে কম বয়সী গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী তারকা।
প্রথম সেট থেকেই ক্ষিপ্র শুরু করেন আলকারাজ। তৃতীয় গেমে তিনটি ব্রেক পয়েন্টের দুটিই নিজের করে নেন তিনি।
প্রথম সেটে রুদ কয়েকবার ভুল করেন। সেখান থেকে ম্যাচে ফিরতে সময় নেন তিনি। প্রথম সেট হারলেও দ্বিতীয় সেটে দাপটের সঙ্গে জিতে ম্যাচে ফেরেন। কিন্তু পরে আর পেরে উঠেননি এই নরওয়েজিয়ান।
পি এস / এন আই


