লকডাউন সফল করার লক্ষে রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলায় গতকাল (২১ জুন) এক প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে। ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী যুক্ত হয়ে বলেন, করোনা পরিস্থিত মোকাবেলায় বর্তমান সরকার অগ্রনী ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ পৃথিবীর যে কোন দেশ থেকে জনগনকে টিকা প্রদানে উৎসাহিত করছে এবং যথা সময়ে টিকার ব্যবস্থা করেছে। এমনকি বিদেশ থেকে টিকা সংগ্রহ করতে সরকারী ব্যাপক অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে। 
তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা সরকার এ দেশের জনগনের দৌরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে এবং প্রতিটি জনসাধারণকে ভ্যাকসিক প্রদানের জন্য নানা মূখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। আমি বলবো, জনসাধারনের উচিত হবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা এবং ঘরের বাইরে গেলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথা নিয়মে মাস্ক পরিধান করে চলাফেরা করা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম এর সভাপতিত্ব এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ভূমি খান মাসুম বিল্লাহ,থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা মো:ফরিদুজ্জামান,মেডিকেল অফিসার ডা: সঙ্গিতা চৌধুরী,শিক্ষা কর্মকর্তা আ:রব, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন,  বিআরডিবি কর্মকর্তা তারেক আজিজ, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আ:মজিদ ফকির, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসহাক সরদার, কামাল হোসেন বুলবুল,জাহাঙ্গির শেখ, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক  আকতার ফারুকসহ  সাংবাদিকবৃন্দ। 
দিঘলিয়া থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম এর সভাপতিত্ব সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্লা আকরাম হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আলিমুজ্জামান মিলন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলী রেজা বাচা, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহবুবুল আলম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান, প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ ফজলুল করিম, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, প্রেস ক্লাব সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, সিনিয়র সাংবাদিক ফরহাদ কাদির, কে এম আসাদুজ্জামান, সৈয়দ জামিল মোরর্শেদ মাসুম, শেখ আনিসুর রহমান, সাংবাদিকবৃন্দ সহ প্রমূখ।
সভায় ২২ জুন থেকে ৭ দিনের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয় এবং সকাল ৭ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কাঁচাবাজারের দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।