চিনি ও পাম অয়েলের দাম কমিয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করলেও বাজারে এর প্রতিফলন পুরোপুরি দেখা যায়নি। পাম অয়েলের দর কিছুটা কমলেও আগের দরেই বিক্রি হচ্ছে চিনি। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি পর্যায় থেকে এখনও নতুন কম দরের পাম অয়েল ও চিনি কেনা সম্ভব হয়নি। পাইকারি পর্যায়ে না কমলে খুচরায় কমবে না।

গত ২২ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনির দর ৮৪ টাকা, প্যাকেটজাত চিনির কেজি ৮৯ এবং পাম সুপার খোলা তেলের লিটার ১৩৩ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে। রোববার নতুন দর কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজধানীর কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাম অয়েলের দাম কমেছে সামান্য। ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পাম অয়েল। সেই হিসাবে প্রতি লিটারের দাম ১৩৩ থেকে ১৩৫ টাকার মতো হয় বলে জানান কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী। তবে চিনি আগের মতোই বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ৯০ এবং প্যাকেটজাত চিনি ৯৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর তেজকুনীপাড়া এলাকার সুমা জেনারেল স্টোরের বিক্রয়কর্মী মো. শুভ জানান, পাইকারি পর্যায়ে চিনির দর কমেনি। এখনও প্রতি কেজি চিনি তাঁর কেনা পড়ছে ৮৭ টাকা। এর সঙ্গে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ হিসাব করলে প্রতি কেজির দাম ৮৮ টাকার মতো পড়ে। ৯০ টাকার কমে তা বিক্রি করা সম্ভব হয় না। তবে পাম অয়েলের দাম অনেক কমেছে দাবি করে তিনি জানান, প্রতি কেজি পাম অয়েল ১৪২ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি করছেন; যা লিটারের হিসাবে ১৩০ থেকে ১৩৩ টাকা।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্যমূল্য নিয়ে প্রস্তুত করা দৈনন্দিন প্রতিবেদনেও পণ্য দুটি বাড়তি দামে বিক্রি হওয়ার তথ্য দেখা গেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী প্রতি লিটার সুপার পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। গত সপ্তাহেও এই দরেই বিক্রি হয়েছিল। চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮৮ থেকে ৯০ টাকায়।

পিএসএন/এমঅ‌াই