গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ২৮৪ জনের।নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪৫৭ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৮৫ হাজার ১৯৪ জনে। মৃত ৩৬ জনের মধ্যে পুরুষ ২৬ জন ও নারী ১০ জন।

বৃহস্পতিবার (২০ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাছিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩৭৮ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ২৭ হাজার ৫১০ জন।

সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৮২টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১২৯টি, জিন এক্সপার্ট ৩৯টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৩১৪টি। এসব ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৯ হাজার ৪২৫টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৯ হাজার ৪৩৭টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৭ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৩টি।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৬৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৬ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪ জন, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগে ৩ জন করে ৬ জন, খুলনা বিভাগে ২ জন রয়েছেন। এছাড়া বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন করে ২ জন রয়েছেন।

এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২৫ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১০ জন। আর বাড়িতে মারা গেছেন ১ জন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ১৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১ জন ও ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ২ জন রয়েছেন।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৫৫২ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৩৮১ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২৬ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৯৩৯ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৭ হাজার ৭৮৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।