জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা শনিবার বিকেল তিনটায় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব জেলা করেন আ’লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুনুর রশিদ।
দলের জেলা সভাপতি আ’লীগের জাতীয় সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে পুনরায় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করার জন্য দলের সকল কাউন্সিলর ও ডেলিগেটেডবৃন্দের প্রতি আহবান জানান। তিনি আরো বলেন, যতদিন শেখ হাসিনার হাতে দেশ ও সংগঠন থাকবে ততদিন দেশ ও সংগঠন সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে।
জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. সুজিত অধিকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. সোহরাব আলী সানা, এড. কাজী বাদশা মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ এম এম মুজিবর রহমান, এ এফ এম মাকসুদুর রহমান, আক্তারুজ্জামান বাবু এমপি, অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, বি এম এ ছালাম, মোস্তফা কামাল খোকন, রফিকুর রহমান রিপন, মোঃ সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, এড. ফরিদ আহমেদ, সরদার আবু সালেহ, ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, জোবায়ের আহম্মেদ খান জবা, এমএ রিয়াজ কচি, শ্রীমন্ত অধিকারী রাহুল, এড. শাহ আলম, শেখ মোঃ রকিকুল ইসলাম লাবু, হালিমা ইসলাম, কাজী শামীম আহসান, শেখ রাশেদুল ইসলাম রাসেল, মোজাফ্ফর মোলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোখলেসুর রহমান বাবলু, খায়রুল আলম, সায়েদুজ্জামান সম্রাট, ইঞ্জিনিয়ার জি এম মাহবুবুল আলম, ননী গোপাল মন্ডল শেখ আকরাম হোসেন, আনোয়ার ইকবাল মন্টু, শেখ শহিদুল ইসলাম, কামাল উদ্দিন বাদশা, অসিত বরণ বিশ্বাস, অধ্যক্ষ ফ ম ছালাম, ফারহানা হালিম, শিউলি সরোয়ার, শাহিনা আক্তার লিপি, ফারজানা নিশি, অমিয় অধিকারী, আনিসুর রহমান মুক্ত, মোঃ আজগর বিশ্বাস তারা, রবার্ট নিক্সন ঘোষ, মোঃ জামিল খান।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, জেলা আ’লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অজয় সরকারকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় এবং কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না মর্মে সাতদিনের সময় দিয়ে তাকে কারণ দর্শনোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এছাড়া জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি রফিকুর রহমান রিপন ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হালিমা ইসলামকে জেলা পরিষদ নির্বাচন বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ডাঃ শেখ বাহারুল আলমকে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিকে বলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এছাড়া কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিরিঞ্চি রায়ের জমি দখলের অভিযোগ, লতা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনে লতা ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব হোসেনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করার ঘটনার অভিযোগ, রূপসা উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সম্মেলন বাধাগ্রস্ত করার বিষয়ে অভিযোগ এবং ডুমুরিয়ার গুটুদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা সরোয়ারের আবেদনের প্রেক্ষিতে পৃথক পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় ২৪ ডিসেম্বর আ’লীগের জাতীয় সম্মেলনে খুলনা জেলার কাউন্সিলর ও ডেলিগেট তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত