নগরীর পলীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক স›দ্বীপ ব্যানার্জীর বিরুদ্ধে ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। যৌন নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রী তার ভাইজি, যশোরের মণিরামপুর থানাধীন বিপ্রোকোণা গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত স›দ্বীপ ব্যানার্জী একই এলাকার বীরেন ব্যানার্জীর পুত্র। এঘটনায় লবনচরা থানায় নির্যাতিত স্কুলছাত্রীর পিতা মামলা দায়ের করেন (নং-০৮, তাং-০৯/০৬/২০২৩)। অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন তিনি।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, উন্নত বিদ্যার্জনের প্রলোভনে গ্রামের স্কুল থেকে ভাইয়ের মেয়ে (১৪)-কে শহরের পলীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করান ওই স্কুলের শিক্ষক স›দ্বীপ ব্যানার্জী। ভাইজিকে পরিবারের সাথে নিয়েই নগরীর জিরোপয়েন্ট হান্নান সড়কের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। গত ৫ জুন দিবা-রাতে তার স্ত্রী বাসায় না থাকার সুযোগে ভাইজিকে ধর্ষণ করেন স্কুল শিক্ষক স›দ্বীপ ব্যানার্জী। ওই রাতেই বিষয়টি মোবাইলে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানাতে চেষ্টা করলে জীবননাশের হুমকি দেন স্কুল শিক্ষক। পরদিন ৬ জুন বিকেলে স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী বাসায় ফেরেন। ঘটনার বিস্তারিত শুনে অসুস্থ মেয়েকে গ্রামের বাড়ি তার বাবা-মার কাছে রেখে আসেন স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী। এ ঘটনায় গত ৮ জুন লবণচরা থানায় স্কুল শিক্ষক স›দ্বীপ ব্যানার্জীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন যৌন নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা।
লণনচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ এনামুল হক জানান, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি স›দ্বীপ ব্যানার্জীকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পরীক্ষার রেজাল্ট এখনো পাইনি। তবে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত