আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলেও দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। আইরিশদের বিপক্ষে আজ জয় পেলেই সিরিজ নিজেদের করে নিবে টাইগাররা। তবে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিং নামে তামিম ইকবালের দল। আগে ব্যাট করতে নেমে ২৭৪ রানে অলআউট হয় টাইগাররা।
আজ আইরিশদের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডেতে উদ্বোধনী জুটিতে ভালো করতে পারেনি তামিম-লিটন। তাই শেষ ম্যাচে বদলে ফেলা হয় এই জুটি। আজ তামিম ইকবালের সঙ্গে লিটন দাসের পরিবর্তে নামানো হয় অভিষিক্ত রনি তালুকদারকে। তবে অভিষেক রাঙাতে পারলেন না এই ব্যাটার। শুরু থেকেই আইরিশ পেসারদের তোপের মুখে ধুঁকতে থাকে রনি। দলীয় ১৮ রানে মার্ক অ্যাডায়ারের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করেন তিনি।
এরপর উইকেটে আসেন আগের ম্যাচের শতক করা নাজমুল হাসান শান্ত। তাকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন টাইগার অধিনায়ক। তবে দলীয় ৬৭ রানে ৩২ বলে ৩৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন শান্ত।
শান্তর বিদায়ের পরে তৃতীয় উইকেটে আসেন লিটন দাস। টাইগার এই ব্যাটার ৮ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো চার নম্বরে নামেন। এর আগে ২০১৫ সালে নিজের অভিষেকে ম্যাচে এই পজিশনে ব্যাটিং করেন তিনি। আর তাকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন তামিম। সাবলীল ব্যাটিং করতে থাকেন লিটন। তবে ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন তিনি। দলীয় ১৩৭ রানে ৩৯ বলে ৩৫ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। তবে অন্যপ্রান্তে কিছুটা দেখেশুনে খেলে ৬১ বলে ফিফটি তুলে নেন তামিম।
তামিমের ফিফটির পর পরই সাজঘরে ফিরে যান তাওহিদ হৃদয়। দলীয় ১৫৯ রানে ১৬ বলে ১৩ রান করে ফিরে যান তিনি। হৃদয়ের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন মুশফিকুর রহিম। মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন তামিম। তবে নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। দলীয় ১৮৬ রানে ৮২ বলে ৬৯ রান করে আউট হন তামিম।
এরপর ক্রিজে আসেন মেহেদী মিরাজ। মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে বড় রান সংগ্রহের দিক আগায় মুশফিক। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৭৫ রান সংগ্রহ করেন এই দুই ব্যাটার। তবে ব্যাক্তিগত ৪৫ রানে মুশফিক আউট হলে ভাঙে এ জুটি। এরপর দ্রুত ৩৫ রানে আউট হন মিরাজও। এরপর উইকেটে এসে কেউ আর টিকতে পারেনি টাইগারদের। শেষ পর্যন্ত ৪৮.৫ ওভারে অলআউট হয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ২৭৪ রান।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত