ইতালিতে করোনা সংকট কাটিয়ে ওঠার পর দেশটিতে কর্মসংস্থান বেড়েছে রেকর্ডসংখ্যক।
২০০৪ সালের পর এটাকে সবচেয়ে চাঙা শ্রমবাজার বলে মনে করছে সরকার। হঠাৎ করে কর্মসংস্থান বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বেকারত্ব কমায় খুশি প্রবাসী বাংলাদেশি ও স্থানীয়রা।
ইতালির পরিসংখ্যান ব্যুরো আইএসটিএটি এর তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর প্রথম ৪ মাসে কর্মসংস্থান বেড়েছে ৫৯ দশমিক ৯ শতাংশ, যা গত ১৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। দেশটিতে ২ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ কাজে ফিরেছেন। গত বছর এপ্রিলের তুলনায় চলতি বছর এপ্রিলেও কর্মসংস্থান বেড়েছে। এতে স্থানীয়দের পাশাপাশি খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
এক বাংলাদেশি প্রবাসী বলেন, করোনা মহামারি কাটিয়ে আমরা এখন ভালো আছি। আমাদের এখানে অনেক কর্মজীবীর চাহিদা দেখা দিচ্ছে। আশা করি সবার জন্য অনেক সুবিধা হবে।
আরেক প্রবাসী বলেন, আমরা ইতালি প্রবাসী। আমাদের এখানে অনেক কর্মী সংকট চলছে। গভর্নমেন্টের উচিত যেই স্পন্সর ভিসার আবেদন রয়েছে সেগুলো দিয়ে দেওয়া। তা না হলে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে।
ইতালিজুড়ে বর্তমানে ২৫ হাজারেরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক বাংলাদেশি প্রবাসীরা। দেশজুড়ে কর্মসংস্থান বাড়ায় বেকারত্ব কমেছে। তবে নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতে শ্রমিক সংকটে ভুগছে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো। এ সংকট মোকাবিলায় ২০২০ ও ২০২২ সালে জমা হওয়া স্পন্সর আবেদনকারীদের ইতালিতে প্রবেশে সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান ব্যবসায়ীরা।
চাহিদা মেটাতে বছর শেষে অতিরিক্ত ১০ লাখ শ্রমিক প্রয়োজন হবে বলে জানায় দেশটির শ্রমবিষয়ক বিভিন্ন সংস্থা।
পিএসএন/এমঅাই
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত