প্রেক্ষাগৃহ থেকে মাত্র একদিনের দূরত্বে অবস্থান করছে ‘হাওয়া’। বর্তমানে চলছে সিনেমাটির শেষ ধাপের প্রচারণা। তাই সরব রয়েছেন অভিনয়শিল্পীসহ অন্যান্য কলাকুশলীরা। এক প্রচারণায় গিয়ে শুটিংয়ের সময়ের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করলেন চলচ্চিত্রটির একমাত্র নারী অভিনয়শিল্পী নাজিহা তুষি। জানালেন, বেদে পল্লীতেও থাকতে হয়েছে তাকে।
শুরুতে তুষি বলেন, ‘সিনেমাটির সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকতে হয়েছে। একবছর ধরে প্রোজেক্টের সঙ্গে এবং ছয় মাস শুটিংয়ের সঙ্গে থেকেছি। এ সময় বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাতা এখানে আমাকে একজন অভিনেতা হিসেবে প্রমাণ করার সুযোগ দিয়েছেন।’
তবে শুটিংয়ের সময়টা খুব সহজ ছিল না। চরিত্রের প্রয়োজনে বিভিন্ন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়েছে তাকে। এমনটা উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘সিনেমাটি করতে গিয়ে অনেক ধরনের প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। ছয়মাস শাড়ি পড়ে ঘুরেছি। এক মাস বেদে পল্লীতে থেকেছি। তাদের সঙ্গে চলাফেরা করেছি, ভাত রেঁধেছি। তাদের জীবন যাপন আয়ত্ত্বে নিতে ও অভ্যস্ত হতে আমাকে এটা করতে হয়েছে।’
সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণে ‘হাওয়া’ নির্মাণ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এখানে যে যার জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সেকারণেই মনে হচ্ছে ভালো কিছু পেতে যাচ্ছেন আপনারা।’
সবশেষে তুষি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন হাওয়ার নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের প্রতি। এ সময় সিনেমার অন্যান্য অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
গভীর সমুদ্রের গল্পে নির্মিত হয়েছে ‘হাওয়া’। চিত্রনাট্য লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন, জাহিন ফারুক আমিন ও সুকর্ণ সাহেদ ধীমান। তুষি ছাড়াও চলচ্চিত্রটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, শরীফুল ইসলাম রাজ, সুমন আনোয়ার, সোহেল মণ্ডল, নাসির উদ্দিন খান, রিজভী রিজু, মাহমুদ আলম, বাবলু বোস প্রমুখ।
পি এস / এন আই
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত