ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী'র নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক ও বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচনের সাথে রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক কর্মীর একটি ওৎপ্রোত সম্পর্ক অনুভব করি। কাজেই জনগণের প্রত্যাশিত আসন্ন ১২ ফেব্র“য়ারি নির্বাচন হবে জনসাধারণের অধিকার প্রতিষ্ঠার। আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পী কে বিজয়ী করুন। কথা দিচ্ছি বাপ্পী আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে দৃশ্যমান সমস্যা গুলো প্রথমেই সমাধান করবে। সুবিধা বঞ্চিত জনসাধারণের কল্যাকর কাজ ও ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করা হবে। পর্যটন শিল্পের গুরুত্বপুর্ণ ভ‚মিকা রাখবে এই অঞ্চল। কয়রা-পাইকগাছায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে উন্নয়নশীল অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হবে।
গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় কয়রা মদিনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে কয়রা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধান বক্তার বক্তৃতায় জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, আজকে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে একটি দল ষড়যন্ত্র করছে চক্রান্ত করছে। স্বাধীনতার সময়ে যাদের বিতর্কিত ভ‚মিকা ছিল, তারা আজ নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, নির্বাচন বানচাল করতে আসলে দেশের জনগণ আস্তাকুঁড়ে দেশের বাইরে নিক্ষেপ করবে।
খুলনা-৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, কয়রা-পাইকগাছার মানুষের সাথে আমার দীর্ঘদিনের আতœার সম্পর্ক। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টায় আপনাদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার চেষ্টা করছি, আপনাদের কথা গুলো মনযোগ সহকারে শুনছি কারো ভাই ও কারো সন্তান হিসেবে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই অঞ্চলের উপরে জরিপ করে ১৪ টি সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আমাকে এই অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিয়েছেন, আপনারা ১২ ফেব্র“য়ারি আপনার মূল্যবান ভোট ধানের শীষ প্রতীকে প্রদান করে আমাকে এই ভাংগন কবলিত অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিন। দলের দেয়া আমানত রক্ষায় ও আপনাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আজীবন কাজ করবো।
জেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এড. মোমরেজুল ইসলাম বলেন, কয়রা-পাইকগাছা মানুষের সাথে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পদধূলি পড়েছে, সেই থেকে বিএনপি ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। জোটগত কারনে জোটের প্রার্থীকে এই অঞ্চলের মানুষ নির্বাচিত করেছি। কিন্তু তারা বরাবরই এই অঞ্চলের মানুষকে উন্নয়ন বঞ্চিত করেছে। এইবার জনগণের মাঝে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ধানের শীষ সকলের পছন্দের প্রতীক, তাই সর্বাধিক ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়তে চায় কয়রা-পাইকগাছার জনসাধারণ।
নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, মোঃ তৈয়বুর রহমান, কামরুজ্জামান টুকু ও এনামুল হক সজল।উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক নূরুল আমিন বাবুলের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব, জেলা বিএনপি সদস্য এম এ হাসানের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য নাজমুস সাকির পিন্টু, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, মনিরুজ্জামান বেল্টু, আবু সাইদ বিশ্বাস, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব শেখ নাদিমুজ্জামান জনি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাসের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদ, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব আবু সাঈদ, জেলা মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক সেতারা সুলতানা, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, মোল্লা কবির হোসেন, ওহিদুজ্জামান বাবলু, কয়রা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. শেখ আঃ রশিদ, এড. মঞ্জুর আলম নান্নু, বায়জিদ হোসেন, এফএম মনিরুজ্জামান মনি, এস এম এ রহিম, গাজী সিরাজুল ইসলাম, আঃ মজিদ মিস্ত্রি, জি এম রফিকুল ইসলাম, শেখ সিরাজুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, শেখ সালাউদ্দিন লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান, কোহিনুর ইসলাম, গাজী সিরাজুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, মাওলানা গোলাম মোস্তফা, নুর মোহাম্মদ জমিদার, আবুল বাশার ডাবলু, প্রভাষক মঞ্জুর মোর্শেদ, মহররম হোসেন, শেখ মাসুদুর রহমান, নাজমুল হুদা, মোস্তাফিজুর রহমান, নুরুল ইসলাম খোকন, আঃ রহমান বাচ্চু, এড. আনিছুর রহমান, কামরুল ইসলাম, ফয়জুল করিম খোকন, কোহিনূর আলম, আয়ুব আলী, ওসমানী গনি, বাংলা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোকলেছুর রহমান, উপজেলা কৃষকদলের আহŸায়ক এস এম গোলাম রসুল, সদস্য সচিব আবু সাঈদ মালী, জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জাবীর আলী, ইঞ্জিঃ জাহিদুর রহমান শোভন, রুবেল মীর, মমিনুর রহমান সাগর, কয়রা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ শরিফুল আলম, সদস্য সচিব মোহতাসিম বিল্লাহ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, সাবেক সহ-সভাপতি মশিউর রহমান শফিক, মিল্টন মন্ডল, যুবদল নেতা এহসানুর রহমান, আকবর হোসেন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আসাদুল ইসলাম, আহাদুর রহমান লিটন, আনারুল ডাবলু, হাফিজুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, পীর আলী, ইউনুস আলী, দেলোয়ার হোসেন, রফিক, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহŸায়ক নূরুল ইসলাম খোকা, সদস্য সচিব ডি এম হেলাল উদ্দিন, শ্রমিক দলের সভাপতি আকবার হোসেন, সাধারণ আঃ রউফ, জাসাসের সভাপতি জামাল ফারুক জাফরিন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আমিনুল ইসলাম, তাঁতীদলের সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দল নেতা মোঃ আছের আলী, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আরিফ বিল্লাহ সবুজ, কপোতাক্ষ কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক মামুন হোসেন, মেহেদী হাসান সবুজ, আলমগীর হোসেন টিটু ও ইমরান হোসেন প্রমুখ।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত