কুমিল্লায় পাসপোর্ট অফিসে তিন সেবাগ্রহীতাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে উপ-পরিচালক (ডিডি) নুরুল হুদার বিরুদ্ধে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহে গেলে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের রিপোর্টার মো. সাফিকে লাঞ্ছিত করা হয়। ভিডিও ধারণের সময় মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এমন একটি ভিডিও সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমল কৃষ্ণ ধর। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। সেবাগ্রহীতাদের মারধরের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি থেকে হয়েছে বলে দাবি করেন উপ-পরিচালক নুরুল হুদা।
মারধরের শিকার হোমনা উপজেলার সাকিব হোসেন বলেন, আমি পার্সপোর্ট করাতে এসেছি। রোজা রেখে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে না পেরে একটা চেয়ারে বসি। আমার সাথে আরও তিনজন বসে। এ সময় পাসপোর্ট অফিসের ডিডি মো. নুরুল হুদা এসেই প্লাস্টিকের চেয়ার দিয়ে আমাদের পেটাতে থাকেন। চেয়ার ভেঙে গেলে চড় থাপ্পড় দেন।
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার রিপোর্টার মো. সাফি বলেন, আমি আমার পাসপোর্টের বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই। ওই সময় দেখি পাসপোর্ট অফিসের ডিডি আমার কিছুটা সামনে তিন-চারজন সেবাগ্রহীতাকে চেয়ার দিয়ে পেটাচ্ছেন। ঘটনার বিষয়ে পাসপোর্টের ডিডির কাছে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে আমার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন এবং পুলিশ ও আনসার দিয়ে হেনস্তা করেন। ৩ ঘণ্টা পর পুলিশের ঊর্ধ্বতর্ন কর্মকর্তা মোবাইল উদ্ধার করে দেন।
কুমিল্লা আঞ্চলিক পার্সপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মো. নুরুল হুদা জানান, আমি কাউকে মারধর করেনি। সিসিফুটেজ দেখতে চাইলে এই কর্মকর্তা রাগান্বিত হয়ে বলেন, আমি কারও কাছে বক্তব্য দিতে বাধ্য নই। সাংবাদিক আমার অনুমতি না নিয়ে ভিডিও করায় মোবাইল ছিনিয়ে নিয়েছি।
পি এস/এন আই
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত