বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এঁর ৯২ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাফফিল অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের স্মৃতি একজন মহীয়সী নারী হিসেবে চির অম্লান হয়ে থাকবে। আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে অসীম ধৈর্য্যরে সাথে তিনি দেশ ও মানুষের সেবা করে গেছেন। বিপদে আপদে তিনি কখনো বিচলিত না হয়ে বরং অসীম সাহসীকতার সাথে বিপদ সংকুল অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য বঙ্গবন্ধুকে সুপরামর্শ দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে আওয়ামী লীগের দুঃসহ দিনগুলিতে তিনি দৃঢ়তার সাথে প্রতিকূলতা মোকাবেলা করেছেন। তাঁরই পরামর্শে বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চে হৃদয় থেকে উৎসারিত অলিখিত ভাষণ প্রদান করেন। সেই ভাষণটি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে বিশ্ব দরবারে স্থান করে নিয়েছে।
সিটি মেয়র বঙ্গমাতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আরো বলেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পত্নী হওয়া সত্বেও তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। তাঁর কোন অহংকার ছিলনা। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মনে-প্রাণে ধারণ ও লালন করেছিলেন। দেশ ও জাতির জন্য তাঁর অপরিসীম ত্যাগ দেশবাসী চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
কেসিসি’র কাউন্সিলর ফকির মো: সাইফুল ইসলাম-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) লস্কার তাজুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন কেসিসি’র মেয়র প্যানেলের সদস্য মোঃ আমিনুল ইসলাম মুন্না, মোঃ আলী আকবর টিপু ও এ্যাড. মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু। অন্যান্যের মধ্যে কাউন্সিলর শেখ আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ সাইফুল ইসলাম, শেখ মোহাম্মদ আলী, মোঃ ডালিম হাওলাদার, এমডি মাহফুজুর রহমান লিটন, মুন্সী আব্দুল ওয়াদুদ, মোঃ মনিরুজ্জামান, এসএম খুরশিদ আহম্মেদ টোনা, শেখ মোসারাফ হোসেন, শেখ মোঃ গাউসুল আজম, মোঃ শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, আলহাজ্ব ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, মোঃ গোলাম মাওলা শানু, সংরতি আসনের কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, সাহিদা বেগম, রহিমা আক্তার হেনা, পারভীন আক্তার, শেখ আমেনা হালিম বেবী, মাহমুদা বেগম, কনিকা সাহা, মাজেদা খাতুন, রেকসনা কালাম লিলি, সচিব মোঃ আজমুল হক, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ মনজুরুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান ও মোঃ আব্দুল আজিজ, চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার হালদার, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ মাসুদ করিম, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, কঞ্জারভেন্সি অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান, রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ অহিদুজ্জামান খান, সহকারী কঞ্জারভেন্সী অফিসার নুরুন্নাহার এ্যানী, শিা ও সাংস্কৃতিক অফিসার এস কে এম তাছাদুজ্জামান প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন রেজিষ্ট্রার মাওলানা মো: রফিকুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পাবলিক হল সুপারিনটেনডেন্ট মো: আব্দুর রহিম।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত