
বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শীর্ষনেতা খান এ সবুর-এর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ । এ উপলক্ষে খান এ সবুর স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে ‘সবুর লজ’ এ বেলা ১১টায় আলোচনা সভা ওদোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
১৯১১ সালের ১ ফেব্র“য়ারি সাবেক খুলনা বর্তমান বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার আট টাকা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা নাজমুল হোসেন খান ছিলেন একজন আইনজীবী।
১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট সাবেক খুলনাজেলা বর্তমান বাগেরহাট, সাতক্ষীরার হিন্দুস্তানের অন্তর্ভূক্ত হয়েছিল তখন খান এ সবুর রাজনৈতিকভাবে আন্দোলন করেন এবং বাউন্ডারী কমিশনে আপিলের মাধ্যমে ১৯৪৭ এর ১৭ আগস্ট বিকেলে আল ইন্ডিয়া রেডিও ঘোষণা করেন বৃহত্তর খুলনা অঞ্চল তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় আজকে এ অঞ্চল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অংশ।
মরহুম খান এ সবুর ১৯৬২ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী ও তদানীন্তন জাতীয় পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা ছিলেন। খান এ সবুরের নেতৃত্বে ১৯৭৬ সালের ৮ আগস্ট মুসলিম লীগ পুনঃগঠিত হয়। খান এ সবুর ১৯৭৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে ৩টি আসনে নির্বাচন করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে এ দেশে সংসদীয় রাজনীতির বিরল ইতিহাস সৃষ্টি করেন। এর পূর্বে কেউ ৩টি আসনে বিজয় হননি।
খান এ সবুর ১৯৮২ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তিনি মৃত্যুর পূর্বে তার স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পদ খান এ সবুর ট্রাস্ট নামে জনকল্যাণে দান করে যান। তারই অংশ হিসেবে ঢাকার বাড়িতে আজ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত