এই অফ-সিজনে তরমুজের বিশাল ফলন হওয়ায় খুশি খুলনার কৃষকরা।
খুলনা কৃষি অঞ্চলে ডিএইর নির্ধারিত ৪৩০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে প্রায় পাঁচশত হেক্টর জমি তরমুজ চাষের আওতায় আনা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ৪৩০ হেক্টর জমি যেখানে (গোপালগঞ্জ, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পিরোজপুর) জিকেবিএসপি প্রকল্পের ২০ হেক্টর জমিসহ মোট ৪৯৬ হেক্টর জমি।
জিকেবিএসপি-তে পরীক্ষামূলক চাষাবাদ ও প্রদর্শনী জমির একটি প্রকল্প, জিকেবিএসপি-র প্রকল্প পরিচালক অমরেন্দ্র বিশ্বাস বাসসের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, গ্রীষ্মের মৌসুমে খরার কারণে কৃষকরা প্রান্তিক মুনাফা পেতে পারে না, তবে বর্ষায় তারা বেশি লাভ পাবে।
ফলে চিংড়ি চাষের চেয়ে তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। .
এছাড়া সরকার বিনা মূল্যে সার, বীজ, কীটনাশক ও প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে এবং জিকেবিএসপি প্রকল্পের আওতায় শ্রমিকদের মজুরি প্রদান করা হয়েছে।
ডিএই-এর অতিরিক্ত পরিচালক মোহন কুমার ঘোষ বলেন, অফ-সিজন তরমুজ চাষে মৌসুমি চাষের চেয়ে কম খরচ হয় এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে সেচের প্রয়োজন হয় না।
বাসস
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত