
খুলনায় নকল ভেজাল ঔষধ কিনে প্রতারিত হয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী অভিযোগকারী পুরস্কার পেলেন আদায়কৃত জরিমানা ৫ লাখ টাকার ২৫% হিসেবে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। আজ বুধবার এ টাকা অভিযোগকারীর হাতে তুলে দেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ফিরোজ সরকার। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিকারের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিম ও অন্যান্যরা। সূত্র জানায় গত মে মাসে মোঃ সাইফুল্লাহ আল রাবিব নামে জনৈক ভোক্তা তার মায়ের জন্য ফিলিপাইনের এপেক্স পয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি নামে এডোরাবেলা হেলথকেয়ার, ঝিনাইদহ কর্তৃক বাজারজাতকৃত ইচিং রিলিফ নামে একটি লোশন লাজ ফার্মা লি. সোনাডাঙা শাখা থেকে ক্রয় করেন। লোশনটি ক্রয়ের পর তার কাছে নকল ভেজাল ঔষধ বলে সন্দেহ জনক মনে হওয়ায় মোড়কের গায়ে লেখা বারকোড স্ক্যান করে সংশ্লিষ্ট ফিলিপাইনের এপেক্স পয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের সাথে যোগাযোগ করলে তারা ঔষধটিকে নকল ও ফেক প্রোডাক্ট হিসেবে জানান। এর প্রেক্ষিতে তিনি ভোক্তা অধিদপ্তরে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিম বিষয়টি তদন্ত করেন এবং ঘটনার সত্যতা পান। গত ১৮ আগস্ট লাজ ফার্মা লি. কর্তৃপক্ষ নকল ভেজাল ঔষধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এডোরাবেলা হেলথকেয়ারের প্রতিনিধি মো: তানভীর আহমেদ পলাশকে নকল ভেজাল ঔষধসহ হাতেনাতে ধরে ভোক্তা অধিদপ্তরের কাছে সোপর্দ করেন। পরে উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলে উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিম ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ধরা ৪১, ৪৪ ও ৫০ মোতাবেক ৫ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেন ও আদায় করেন। আজ বুধবার ভুক্তভোগী অভিযোগকারীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৭৬(৪) ধারা অনুযায়ী ২৫% হিসেবে ১ লাখ ২৫ পচিশ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়। এসময়ে বলা হয় -পণ্য বা সেবা কিনে আপনিও প্রতারিত হলে ভোক্তা অধিদপ্তরে অভিযোগ করুন এবং বুঝে নিন জরিমানার ২৫ শতাংশ।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত