
বাগেরহাটের চিতলমারীতে গত চার দিনের তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নি আয়ের কর্মজীবি মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় হাড় কাপাঁনো শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে এ উপজেলার সাধরণ মানুষ। সর্দি, কাশি ও হাপানিজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা ঠান্ডাজনিত রোগে বেশী আক্রান্ত হচ্ছেন। চারদিনের শীতে আক্রান্ত হয়ে শুধুমাত্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এখানে ঠান্ডাজনিত রোগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ১৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে বৌদ্ধ নাথ মন্ডল (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন।
চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত চারদিন ধরে সারা দেশের ন্যায় এ উপজেলায়ও তীব্র শীত জেঁকে বসেছে। ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীতে সর্দি, কাশি ও হাপানিজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এখানে ঠান্ডাজনিত রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশী আক্রান্ত হয়েছেন। গত চারদিনের শীতে আক্রান্ত হয়ে শুধুমাত্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এখানে ঠান্ডাজনিত রোগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ১৬ জন ভর্তি হন। তাদের মধ্যে বৌদ্ধ নাথ মন্ডল (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ মারা যান। মৃত বৌদ্ধ নাথ উপজেলার খিলিগাতী গ্রামের মুকন্দ লাল মন্ডলের ছেলে।
চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পা কর্মকর্তা চিকিৎসক শর্মী রায় জানান, গত চার দিন ধরে এ উপজেলায় শীত জেঁকে বসেছে। তাই অপ্রয়োজনে শিশু বৃদ্ধরা যেন ঘরের বাইরে না যায়। সর্দি, কাশি ও ঠান্ডাজনিত রোগকে অবহেলা করা যাবে না। ফার্মেসীর লোকদের কথামত অযথা এন্টোবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘জরুরী প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হতে হলে পর্যাপ্ত গরম কাপড় পরিধান করে বের হবেন। ঠান্ডাজনিত রোগ দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। এছাড়া জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। কম্বল ও শীতবস্ত্র এলে সেগুলো সাথে সাথে দুঃস্থদের মাঝে বিতরণ করব।”
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত