
সাম্প্রতিক সময়ে খুলনার সর্বত্র ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করেছে। পার্শবর্তী জেলা গুলোর রোগীরাও সুচিকিৎসার জন্য স্থানীয় খুমেক, জেনারেল ও খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনার মতো জনস্বার্থে সরকারি খালি স্থাপনাগুলোতে শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ডেঙ্গু রোগীর সুচিকৎসার জন্য খুলনা প্রেসক্লাব দাবি জানিয়েছে।
খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মহানগরীসহ প্রত্যেকটি জেলায় প্রতিদিন গড়ে ১শ’ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে বেসরকারি ও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এসব হাসপাতালে শয্যা না থাকায় স্বজনরা রোগীদের বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ডেঙ্গু রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য ডায়াবেটিক হাসপাতাল, বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যায়ামাগার, বিএসটিআই, মোংলা বন্দর মিলনায়তন ও শামসুর রহমান রোডস্থ কনভেনশন সেন্টারে অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র দাবি করা হয়েছে। একইসাথে সুচিকিৎসার জন্য একাধিক বিশেষ মেডিকেল টিম ও চাহিদা মোতাবেক ঔষধ সরবরাহের দাবিও করা হয়। অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে সরকার উদ্যোগ নেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
বিবৃতি দাতারা হলেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার, সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম ও কাজী শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন সজল, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন, পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক বশির হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ), কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ. মো. আনিস উদ্দিন, কে এম জিয়াউস সাদাত, আশরাফ-উল-হক ও মোহাম্মদ আলী।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত