ফেনীতে এক তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মারুফ আলম ভূঁইয়া (২৪) নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী।
বুধবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জেলার সোনাগাজীতে এই ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মারুফ আলম ভূঁইয়া উপজেলার বগাদানা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ও বাদুরিয়া গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির ফখরুল আলম ভূঁইয়ার ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান জানায়, মারুফ আলম ভূঁইয়া একই গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে চার মাস ধরে বিয়ের প্রলোভনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বুধবার বিকেলে ওই তরুণী বাড়িতে একা আছে জানতে পেরে তার বাড়ি যায় মারুফ। একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন মারুফ। পরে বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ির লোকজন জড়ো হয়ে এলাকাবাসীকে ডেকে এনে মারুফকে আটক করে। এরপর স্থানীয়রা তরুণীর বক্তব্য শুনে তাকে বিয়ে করতে বললে মারুফ অস্বীকৃতি জানায়। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মারুফের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে মামলা দায়ের করেছেন। আজ সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
ধর্ষণ চেষ্টার বিষয়টি অস্বীকার করে মারুফ জানান, ওই তরুণীর বড় বোন তাকে ফোন দিয়ে তাদের বাড়িতে ডেকে নেন। ঘরে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে মারধর করে পুলিশে দেয়। ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী হওয়ায় ঘটনাটি ষড়যন্ত্রমূলক বলে মনে করছেন তিনি।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত