দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, মাতারবাড়িতে সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানির ৪০০ মেগাওয়াট সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাবের বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে পারে।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সিঙ্গাপুরের পরিবহণ ও ব্যবসা সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী এস ইশ্বরনের সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা বলেন তিনি।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী সিঙ্গাপুর সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের আরও টেকসই অবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ভূমিভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল, অটোমেশন ও আইটি খাত, পেট্রোলিয়াম প্রোডাক্ট দ্রুত সরবরাহ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সৌর বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ ইত্যাদি বিষয়ে আমরা যৌথভাবে কাজ করতে পারি।
এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতার জন্য একটি ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট থাকলে এসব কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অবস্থা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
জবাবে সিঙ্গাপুরের পরিবহন ও ব্যবসা সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী এস ইশ্বরন বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্যই আমার এই সফর। অবকাঠামো স্ট্রাস্টির আওতায় বিনিয়োগ কার্যক্রম বাড়ালে ভালো ফল পাওয়া যাবে। বিমানবন্দরে সৌর বিদ্যুৎ বা ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ বা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা যেতে পারে।
এ সময় ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি জ্বালানি খাতে ক্লিন এনার্জির বিস্তার, বিনিয়োগ, কারিগরি সহযোগিতা ও তহবিল সংগ্রহসহ বৈশ্বিক অবস্থা নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূত (নন রেসিডেন্ট) ডারেক লহ ও সিঙ্গাপুরের কনসুল এবং কনসুলেট শীলা পেল্লাই ছাড়াও পিডিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান, নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রকৌশলী এ এম খোরশেদুল আলম, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত