দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সরকারের সব অর্জনকে খেয়ে ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন।
শুক্রবার (১১ মার্চ) দুপুরে ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার নয়, নির্বাচনে যাতে মানুষ কোনো প্রভাব ও হস্তক্ষেপ ছাড়া ভোট দিতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা এখন ক্ষুদ্র অতি ধনী ও সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্রের কর্তৃত্বাধীন হয়ে পড়েছে। তারা ইচ্ছামত কখনও এদল, কখনও ওদলকে ক্ষমতায় আসতে নির্বাচনী ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করে চলেছে। দেশের মানুষের ভোট দেয়া এখন তাদের হাতে বন্দী।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনই শেষ কথা নয়, বরং মানুষের ভাতের অধিকার নিশ্চিত করাও কর্তব্য। বর্তমান লুটেরা ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখে সেটা সম্ভব নয়। যুদ্ধের জন্য জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে এটা ঠিক নয়। খুবই পরিকল্পিতভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ানো হয়েছে। সরকার যদি এর নিয়ন্ত্রণ না করেন তাহলে এই মূল্যবৃদ্ধির ভাগই সরকারের সব অর্জনকে খেয়ে ফেলবে। জনগণের দাবিকে উপহাস করা, তাকে দমানোর চেষ্টা বুমেরাং হয়ে দেখা দেবে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, পলিটব্যুরোর সদস্য কামরূল আহসান, আলী আহমেদ, এনামুল হক এমরান প্রমুখ।
পিএসএন/এমঅাই
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত