
নড়াইলের কালিয়ায় এক নারীর ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণার অভিযোগে মো. ওমর ফারুক (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভুক্তভোগী গৃহবধূর পরিবারের দায়ের করা মামলায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ওমর ফারুক কালিয়া উপজেলার বড় কালিয়া গ্রামের মৃত শাহাজান শেখের ছেলে। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ‘মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক (চুক্তিভিত্তিক) হিসেবে কালিয়ায় কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি এক নারীর ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভুয়া আইডি খোলেন। ওই আইডি থেকে ভুক্তভোগীর স্বজন ও পরিচিতদের কাছে ইনবক্সে বার্তা পাঠিয়ে আর্থিক সহযোগিতা চান। বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয় পরিবারের সঙ্গে তোলা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি।
এভাবেই চাকরি দেওয়ার প্রলোভন ও বিভিন্ন অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সর্বশেষ ভুক্তভোগী নারীর নামে খোলা ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে তারই ভাইয়ের কাছে ১০ হাজার টাকা সহযোগিতা চাওয়া হয়। টাকা গ্রহণের জন্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় এক এজেন্টের দোকানের নম্বর ব্যবহার করা হয়।
প্রতারণার বিষয়টি টের পেয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার নড়াইলের কালিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করে আটক করে।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী বলেন, “ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে প্রতারণার সংশ্লিষ্ট আলামত পাওয়া গেছে। তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত