
প্রাণবন্ত ঐতিহ্য ও চিরন্তন সংস্কৃতি থেকে শুরু করে মনজুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ফসল ঘরে তোলার আনন্দ থেকে শুরু করে কোলাহলমুখর সড়কের চমক; বাংলাদেশ যেন এক অফুরান গল্পের সম্ভার। এবার পাঠশালার সাথে অপো রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্ট এই গল্পগুলোকেই যেন জীবন্ত করে তুলেছে; তুলে ধরেছে বাংলাদেশের সৌন্দর্য, অনুভূতি ও বৈচিত্র্যকে।
এই ক্যাম্পেইন বাংলাদেশকে তার বহুমাত্রিক রূপে ক্যামেরায় ধারণ করেছে। দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি থেকে কম আলোয় প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্য থেকে শুরু করে পোর্ট্রেটে বাংলাদেশের মানুষের খাঁটি অনুভূতি, স্ট্রিট ফটোগ্রাফিতে অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত থেকে শুরু করে দেশের স্থাপত্যের নান্দনিক সৌন্দর্য; সবকিছুই অসাধারণভাবে উঠে এসেছে এই প্রতিযোগিতায়।
এই প্রতিযোগিতা অপো ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের সৃজনশীলতা দেখানোর অনন্য সুযোগ করে দিয়েছে। একইসাথে, প্রমাণ করেছে যে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফি কীভাবে প্রতিদিনের মুহূর্তগুলোকে অসাধারণ গল্পে রূপান্তরিত করতে পারে। সবমিলিয়ে, ছবিগুলো একত্রে বাংলাদেশজুড়ে এক প্রাণবন্ত ভিজ্যুয়াল তৈরি করেছে, তুলে ধরেছে দেশ ও মানুষের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত অসংখ্য মুহূর্ত।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “বাংলাদেশ গল্প, অনুভূতি, ঐতিহ্য ও অসাধারণ সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ একটি দেশ। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশি ফটোগ্রাফারদের চোখ দিয়ে এই মুহূর্তগুলো দেখতে চেয়েছিলাম। ফসল ঘরে তোলার আনন্দ ও বাংলাদেশের ঐতিহ্য-সংস্কৃতির সমৃদ্ধি থেকে শুরু করে প্রকৃতি ও ওয়াইল্ডলাইফ, মানুষের মনের গভীর আবেগ, রাস্তার অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত ও আমাদের চারপাশের অবাক করা স্থাপত্য; প্রতিটি ছবি বাংলাদেশের অনন্য গল্প তুলে ধরে। অংশগ্রহণকারীদের সৃজনশীলতা ও অনুভূতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। অপোতে আমরা বিশ্বাস করি, প্রযুক্তি মানুষকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করতে ও অর্থবহ মুহূর্তগুলো ধারণ করতে সক্ষম করে তুলবে। আমরা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত যে, পাঠশালার সাথে আমাদের এই অংশীদারিত্ব ফটোগ্রাফারদের দৃষ্টিভঙ্গি নিপুণভাবে তুলে ধরবে; এবং একইসাথে, অন্যদের প্রতিদিনের জীবনের অসাধারণ সৌন্দর্য ধারণ করার ক্ষেত্রে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলবে।”
বিচারক প্যানেল মূল্যায়ন করার পর মুহাম্মদ আমদাদ হোসেনকে গ্র্যান্ড উইনার ঘোষণা করা হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে তিনি পাচ্ছেন ১,০০,০০০ টাকা নগদ, একটি অপো রেনো১৫ এফ এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। তার ছবিটি সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং ও একটি অসাধারণ মুহূর্ত ধারণ করার অনন্য সক্ষমতার জন্য আলাদাভাবে নজর কেড়েছে। এলিট উইনার মো. এনামুল কবির পেয়েছেন ৫০,০০০ টাকা নগদ, একটি অপো এ৬এস প্রো এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। মাস্টার উইনার সৌম্যেন রেজাউল পেয়েছেন ৩০,০০০ টাকা নগদ, একটি অপো এ৬এস প্রো এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।
এছাড়াও, পাঁচটি ক্যাটাগরিতে অসাধারণ প্রতিভাবান ফটোগ্রাফারদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার ক্যাটাগরিতে মো. রকিবুল হাসান, লো লাইট ক্যাটাগরিতে আশরাফুল সরকার কিবরিয়া, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ ক্যাটাগরিতে সালাহউদ্দিন আহমেদ, পোর্ট্রেট ক্যাটাগরিতে মো. হারুনর রশিদ এবং স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার ক্যাটাগরিতে সিরাজাম মনির বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিটি ক্যাটাগরি উইনার পেয়েছেন ২০,০০০ টাকা নগদ, একটি অপো এ৬ এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। পাশাপাশি, আতিকুর রহমান অনারেবল মেনশন পুরস্কার পেয়েছেন, যার সাথে রয়েছে ১০,০০০ টাকা নগদ ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।
এই উদ্যোগ সৃজনশীল মানুষদের অনুপ্রাণিত করতে ও ফটোগ্রাফি অনুরাগীদের জন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে অপোর অব্যাহত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। অপোর স্মার্টফোন ইমেজিং সক্ষমতা ও বাংলাদেশি ফটোগ্রাফারদের সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গিকে একত্রিত করার মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইন প্রমাণ করেছে যে, প্রযুক্তি কীভাবে অর্থবহ মুহূর্তগুলো ধারণ ও শক্তিশালী গল্প বলতে সহায়তা করতে পারে।
গ্রামীণ জীবনে ফসল তোলার উৎসব থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ঐতিহ্যের সমৃদ্ধি, কম আলোর দৃশ্য, প্রকৃতি ও ওয়াইল্ডলাইফ, মানুষের চেহারায় আবেগের প্রতিফলন এবং রাস্তা ও স্থাপত্যে লুকিয়ে থাকা বিস্ময়; এই ক্যাম্পেইন বাংলাদেশকে অসংখ্য অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তুলে ধরেছে।
পাঠশালার সাথে অপো রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের মাধ্যমে অপো মানুষকে অসাধারণ করে তুলতে চায় এবং বাংলাদেশের সৌন্দর্যকে ক্যামেরায়, একটি ফ্রেমে ধারণ করে গল্প বলায় অনুপ্রাণিত করতে চায়।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত