পূর্ব ইউক্রেনে নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় স্থলবাহিনীর কমান্ডার কর্নেল-জেনারেল ওলেকসান্দার সিরস্কি এ তথ্য দিয়েছেন।
সিরস্কি শুক্রবার তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে বলেন, “লাইম্যান ও কুপিয়ানস্কের আশেপাশে এক মাসের তীব্র যুদ্ধ ও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির পর, শত্রু বাহিনী আবার সংঘবদ্ধ হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা রুশ ফেডারেশনের ভূখণ্ড থেকে নবগঠিত ব্রিগেড ও ডিভিশনগুলোর সেনাদের যুদ্ধাঞ্চলে মোতায়েন করছে।”
তিনি বলেন, “যুদ্ধ করার সক্ষমতা বাড়াতে এবং আবার হামলা করতে চাইছে রুশবাহিনী।” তিনি আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানাননি, তবে বলেছেন যে রুশ বাহিনী ভারী কামান ও মর্টার-এর গোলা বর্ষণের পাশাপাশি বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে।
কর্নেল-জেনারেল ওলেকসান্দার সিরস্কি বলেন, “এ ধরনের পরিস্থিতিতে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দ্রুত শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিতে হবে এবং যেখানে সম্ভব আগে ভাগে আক্রমণ করতে হবে।”
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার ইউক্রেন সংক্রান্ত দৈনিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলেছে, কুপিয়ানস্ক ও লাইম্যানে আগামী দুই মাস ধরে রাশিয়া আক্রমণের তীব্রতা বাড়াতে পারে, আর এর একটি “বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা” রয়েছে।
তারা বলছে, এ অঞ্চলে রাশিয়ার সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে পশ্চিম দিকে অসকিল নদীর দিকে অগ্রসর হওয়া এবং লুহানস্ক ওবলাস্টের চারপাশ ঘিরে একটি বাফার জোন তৈরি করা।
২০২২-এর আগ্রাসনের শুরুর দিকে রাশিয়া কুপিয়ানস্ক শহরের দখল করে নেয়। যুদ্ধ শুরুর আগে এই শহরে প্রায় ২৭ হাজার মানুষ বসবাস করতেন। সেপ্টেম্বরে এক ঝটিকা অভিযানে ইউক্রেনীয় সেনারা এই শহর পুনর্দখল করে নেয়, যা ছিলো মস্কোর জন্য একটা বিব্রতকর ঘটনা।
সূত্র : এপি, রয়টার্স
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত