
দেশি ফলের সমারোহ আর উৎসবমুখর পরিবেশে প্রথমবারের মতো খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফল উৎসব’। রবিবার বিকেলে ক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত এই বর্ণিল অনুষ্ঠানে মৌসুমি ফলের ঘ্রাণ আর স্বাদ উপভোগ করেন আমন্ত্রিত অতিথি ও সাংবাদিকরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম ও যুগ্ম-সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, “খুলনা প্রেসক্লাবের এমন সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেশি ফল ও কৃষি ঐতিহ্যের প্রচার-প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
উৎসবে প্রদর্শিত ও পরিবেশিত ফলের তালিকা ছিল বেশ দীর্ঘ। আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, জামরুল, কলা, তালশাঁস, আনারস, কাউফল, ডেউয়া, বেত ফল, আঁশ ফল, সফেদা, শরিফা, কামরাঙা, গাব ও আমড়াসহ নানা প্রজাতির মৌসুমি ফলের স্বাদ নেন অতিথিরা। এছাড়া সুন্দরবনের গোল ফল, কেয়া ফল ও কেওড়ার মতো অনন্য ফলগুলো উৎসবটিতে বাড়তি আকর্ষণ যোগ করে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশি ফলের পুষ্টিগুণ ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন। বক্তব্য রাখেন—খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, ফারুক আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মোতাহার রহমান, মল্লিক সুধাংশু, প্রবীণ সাংবাদিক মুহাম্মদ আবু তৈয়ব ও আতিয়ার পারভেজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, নাগরিক ফোরামের মহাসচিব ইকবাল হাসান তুহিন, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবু তাহের এবং বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক কচি।
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম ও কাজী শামীম আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলনসহ ক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ ও বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই উৎসবটি স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত