নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আধাবেলা হরতালের শেষ মুহূর্তে হরতাল সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর পল্টন মোড়ে হরতালকারীদের সরাতে লাঠিপেটা করার পাশাপাশি টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করেছে পুলিশ।
এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বামজোট।
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহীন হোসেন প্রিন্স বলেন, "বিনা উসকানিতে শান্তিপূর্ণ হরতালে পুলিশ টিয়ারশেল, লাঠিচার্জ ও গরম পানি ছোড়ায় আমাদের অন্তত ২০-২৫ জন আহত হয়েছে।
“এছাড়া সারা দেশে গ্রেপ্তার, বিনা উসকানিতে হামলা ও হরতাল পালনে বাধা দেওয়ায় আগামী কাল সারা দেশে বিক্ষোভ করা হবে। বিকাল ৪টায় পল্টনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হবে।”
সোমবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে এ হরতালের ডাক দিয়েছিল বাম জোট। রাজধানীতে পল্টন, মতিঝিল, শাহবাগ ও মিরপুর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল, অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে হরতাল পালন করেন জোটের নেতাকর্মীরা।
হরতালে পল্টন ও শাহবাগে বিক্ষোভ-অবরোধ
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্টন মোড়ে জোটের নেতারা রাস্তার একপাশে জড়ো হয়ে বক্তব্য দিতে শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ নিয়ে ওই হট্টগোল শুরু হলে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে।
বামজোটের নেতাকর্মীরাও তখন পুলিশের দিকে ঢিল ছুড়তে শুরু করে। এক পর্যায়ে পুলিশ হরতাল সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ছোঁড়ে।
‘বিনা উসকানিতে পুলিশ হামলা করেছে’ অভিযোগ করে বাম জোটের সমন্বয়ক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, “বিনা উসকানিতে আমাদের শান্তিপূর্ণ হরতালে পুলিশ হামলা করেছে। শুধু পল্টনে নয়, সারা দেশে আমাদের শান্তিপূর্ণ হরতালে পুলিশের পাশাপাশি সরকারি দলের নেতাকর্মীরা হামলা করেছে, পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
“এর প্রতিবাদে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করব।"
হরতালের শেষ পর্যায়ে পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে পল্টন মোড়ে উপস্থিত সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে, সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য কথা বলতে রাজি হননি।
পিএসএন/এমঅাই
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত