বেনাপোল বন্দরে হ্যান্ডলিংক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন অফিস দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
ইউনিয়নের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়াহিদুজ্জামান এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে বন্দরের শ্রমিকরা কাজে ব্যস্ত ছিল। সে সময় বেনাপোল পৌর কমিশনার ও হ্যান্ডলিংক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদের নেতৃত্বে লাল পোশাক পরা ৪০ থেকে ৫০ জন বন্দরের সামনে এসে আমাদের অফিস দখলের চেষ্টা করে।
‘তারা ফাঁকা গুলি করে ও ৫০ থেকে ৬০টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বোমার আতঙ্কে শ্রমিকরা বন্দরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। কয়েকজন শ্রমিককে কোপানোও হয়েছে। তারা নাভারন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান বলেন, ‘আমরা বন্দর এলাকায় এসে একটি গ্রুপের তাণ্ডব দেখি। তারা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বন্দর এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। আমরা আসার পর গ্রুপটি পালিয়ে যায়।’
নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, ‘এ ঘটনায় একজন পুলিশসহ চার শ্রমিক আহত হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। রাশেদ নামের একজনের এই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক মামুন তরফদার জানান, হ্যান্ডলিংক শ্রমিকদের গোলযোগের কারণে সকাল থেকে বন্দরের লোডিং-আনলোডিং কার্যক্রম বন্ধ আছে।
পিএসএন/এমঅাই
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত