ছাত্র অধিকার পরিষদের উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান সম্রাট এবং সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজমুল হুদাকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে এমন অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে মশাল মিছিল করেছে সংগঠনটি।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলন শেষে মশাল মিছিল বের করেন ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।
এসময় ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ‘হামলা-মামলা করে আমাদের দমানো যাবে না। অনতিবিলম্বে ছাত্রনেতা সম্রাট ও নাজমুলকে ছেড়ে দিতে হবে।’
রাশেদ বলেন, ‘বছরের শেষ দিনে এভাবে গ্রেফতার ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। সরকার প্রতিদিন এভাবে মানুষকে হয়রানি করছে। পুলিশ জনগণের বাহিনী। এই বাহিনী কোনো দলের না। জনগণের রক্ত ও ঘামের টাকায় তাদের বেতন দেওয়া হয়। সুতরাং জনগণের বুকে গুলি চালাবেন না। জনগণকে হয়রানি করবেন না। আটককৃত ছাত্রনেতাদের ছেড়ে না দিলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, ‘আজকের মধ্যেই তাদের ছেড়ে দিতে হবে। অন্যথায় আগামীকাল থেকে আন্দোলনের বিস্ফোরণ শুরু হবে। ওদের নামে কোনো মামলা নেই, কোনো ওয়ারেন্ট নেই। সাদা পোশাকে গ্রেফতার করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। আমাদেরকে ভয় দেখাবেন না। আমরা কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে সাহস নিয়ে নৈতিকতার সঙ্গে আন্দোলন করছি। গুলি করেও আমাদের থামাতে পারবেন না। প্রয়োজনে জীবন দিবো, তবুও আন্দোলন থেকে পিছুপা হবো না।’
ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদিবের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলন ও মশাল মিছিলে অংশ নেন গণঅধিকার পরিষদের নেতা আতাউল্লাহ, তারেক রহমান, সাদ্দাম হোসেন, জিলু খান, এডভোকেট এরশাদ সিদ্দিকী, খায়রুল কবীর, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মুনজুর মোর্শেদ মামুন, শ্রমিক পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান প্রমুখ।
এদিকে তুলে নিয়ে যাওয়া দুই ছাত্রনেতাকে রাত পৌনে ১১ টার দিকে ডিবি অফিস থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত