জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেও প্রাণে রক্ষা পেলেন না মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপাতি ও উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক মাসুম বিল্লাহ। গত বুধবার রাতে ডাকবাংলো মোড়ে বাটার শোরুমে সন্ত্রসী হামলায় তার নির্মম মৃত্যু হয়। হত্যাকান্ডের একদিন পর আজ শুক্রবার নিহতের স্ত্রী মামলা দায়ের করেছেন। এতে তিনি খুলনা শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুসহ ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-৯ বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার দু’জন হলেন, অশোক ঘোষ ও জাবেদ গাজী। অশোক ঘোষকে ঘটনাস্থল থেকে এবং জাবেদ গাজীকে গত বৃহস্পতিবার রাত আড়াই টার দিকে সোনাডাঙ্গা ২২ তলা ভবনের পাশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, গেল ১৫ জানুয়ারি মোবাইল ফোনে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ মাসুমকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রূপসা থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। কিন্তু ডায়রি করেও বাচতে পারলেন না শ্রমিক নেতা মাসুম।
খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: কবির হোসেন জানান, বিকেলে নিহতের স্ত্রী ফতেমাতুজ জোহারা থানায় আসেন। স্বামীর হত্যার ঘটনায় তিনি গ্রেনেড বাবুসহ ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন, যার নং ৫।
এদের মধ্যে অশোক ঘোষকে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত জনতা পুলিশের নিকট সোপর্দ করে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক বুধবার গভীর রাতে সোনাডাঙ্গা থানাধীন ২২ তালা ভবনের পাশ থেকে জাবেদ গাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বুধবার সন্ধ্যার পর খুলনার বিশেষাতি হাসপাতালে এক রোগীকে দেখতে যান মাসুমসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। রাতে তিনি খুলনায় ফিরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মার্কেটিং করতে থাকে।
এ সময় সন্ত্রাসীরা তাকে ধাওয়া দেয়। নিরাপত্তার জন্য ডাকবাংলো বাটার শোরুমে প্রবেশ করে। সন্ত্রাসীরা তার পিছু নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত