ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে হওয়া মামলায় গুজরাট হাইকোর্টে জরিমানার দণ্ড পেয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শুক্রবার, গুজরাট হাইকোর্ট মুখ্য তথ্য কমিশন (সিআইসি)-এর নির্দেশকে খারিজ করে দেয়। কেজরিওয়াল সিআইসির কাছে মোদির বিএ এবং এমএ পাশ ডিগ্রির কাগজ বা সার্টিফিকেট দেখতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে সিআইসি প্রধানমন্ত্রীর দফতর (পিএমও), দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়কে ওই সার্টিফিকেট দেখানোর নির্দেশ দেয়। তার বিরুদ্ধেই আদালতে গিয়েছিল গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়।
গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি বিরেন বৈষ্ণবের একক বেঞ্চ শুক্রবার সিআইসির নির্দেশকে খারিজ করে দেয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির সার্টিফিকেটের বিস্তারিত তথ্য চাওয়ার জন্য কেজরিওয়ালকে ২৫ হাজার ভারতীয় রুপি জরিমানা করেছে। চার সপ্তাহের মধ্যে সেই টাকা জমা দিতে হবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে।
আদালতের রায়ের কথা শুনে কেজরিওয়াল বলেন, ‘ভারতের মানুষের কি জানার অধিকার নেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী কতটা শিক্ষিত? ওরা আদালতে ডিগ্রি দেখাতে এত আপত্তি করছেন কেন? যে ব্যক্তি ডিগ্রি দেখতে চাইলেন, তাকেই জরিমানা করা হচ্ছে কেন? কী হচ্ছে এসব! একজন অশিক্ষিত বা স্বল্পশিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী ভারতের জন্য বিপজ্জনক।’
২০১৬ সালে তথ্য জানার অধিকার আইনে দায়ের হওয়া একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে সিআইসি পিএমও, গুজরাট এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মোদির স্নাতক আর স্নাতকোত্তরের ডিগ্রি সম্পর্কে তথ্য তলব করে। সিআইসির নির্দেশের বিরোধিতা করে গুজরাট হাইকোর্টে যায় গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনী হলফনামায় মোদি জানিয়েছেন, তিনি ১৯৭৮ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং ১৯৮৩ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত