
প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)
উৎসবমুখর পরিবেশে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে শরণখোলা ২২ কিলোমিটার খালে জমে থাকা কচুরিপানা উত্তোলন কাজ শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা ৬ ঘন্টা ৪ ইউনিয়নের ১০ টি পয়েন্টে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা,সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষিকা, সাংবাদিক পুলিশ,ব্যাবসায়ী,ছাত্র, স্কাউট, সিপিপি,রেডক্রিসেন্ট,এনজিও কর্মী সহ শরণখোলার কয়েক হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। এসময় বিভিন্ন স্কুল থেকে এসে স্কাউট ও ব্যান্ড দল তাদের ব্যান্ড বাজিয়ে এক উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
উপজেলার তালতলি বাজারে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাগেরহাট ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন। এসময় শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর ই আলম সিদ্দিকী,শরনখোলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আজমল হোসেন মুক্তা, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব সাইফুল ইসলাম খোকন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এম এ খালেক খান, ডেপুটি কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিন বাদশা, শরণখোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আলম ফকির, আওয়ামীলীগ নেতা মেজবাহ উদ্দিন খোকন,ওয়াদুদ আকন, গোলাম মোস্তফা মধু, জাতীয় পার্টির সভাপতি গাজী বদরুজ্জামান আবু,বিআরডিবি চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান তেনজিন, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
খোন্তাকাটা ইউনিয়নের নলবুনিয়া পয়েন্টে কচুরিপানা উত্তোলন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ। এসময় শরণখোলা উপজেলা চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত, ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান পারভেজ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
আমড়াগাছিয়া পয়েন্টে ধানসাগর ইউপি চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম টিপু ও তাফালবাড়ি পয়েন্টে সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন রাজিবের নেতৃত্বে কচুরিপানা উত্তোলন করা হয়।
এক দিনে ২২ কিলোমিটার খালের কচুরিপানা সম্পূর্ণ উত্তোলন সম্ভব না হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও চার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ কার্যক্রম চলমান রাখার অঙ্গীকার করেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত