বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আজকে সারাদেশে একটাই মাত্র সংকট, সেটা হচ্ছে এই সরকার। এই সংকট থেকে উত্তরণ করতে হলে সরকারকে বিদায় করতে হবে। এটা জনগণের দাবি, বিএনপির নয়। বিএনপি জনগণের পক্ষ থেকে ১০ দফা দাবি দিয়েছে। বাংলাদেশ মেরামত করতে হলে সর্বক্ষেত্রে কি করতে হবে সেটার জন্য বিএনপি ২৭ দফা রূপরেখা দিয়েছে।
সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে 'মৃত্যুকূপে ধাবমান বাংলাদেশ-দুই' গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এ দেশের জনগণকে সম্পৃক্ত করে একটি গণঅভ্যুত্থান ছাড়া এ ধরনের স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরানো যাবে না। এই দেশে আইয়ুব খানকে বিতাড়িত করেছি, এরশাদকে বিতাড়িত করেছি; ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে। আমি মনে করি সময় বেশি নেই। ইনশাল্লাহ এদেশের জনগণই রাস্তায় নামবে। ইতোমধ্যে জনগণ তাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে তা প্রমাণ করেছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, আমাদের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগ। সেই বিচার বিভাগকে কিভাবে তারা (আওয়ামী লীগ) করায়ত্ত করেছে, দলীয়করণ করেছে, ধ্বংস করে দিয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিচারের রায় দেখে আমরা বুঝতে পারি। এ সকল কিছু জনগণ জানে।
মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের নেতা জিয়াউর রহমান বাকশাল থেকে গণতন্ত্র দিয়েছেন। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এরশাদদের স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটিয়ে এদেশের গণতন্ত্র দিয়েছে। আমাদেরই দায়িত্ব গণতন্ত্র উদ্ধার করা। যারা গণতন্ত্র হত্যা করে তারা তো কোনদিন গণতন্ত্র উদ্ধার করতে পারবে না।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের কথা চিন্তা করে, জনগণের কথা চিন্তা করে, আপনারা ত্যাগ স্বীকার করছেন। তাই আহ্বান জানাবো আজকের দিনে যেনো এই জগদ্দল ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরাতে পারি সেই লক্ষ্যে আপনারা অবদান রাখবেন।
আয়োজক সংগঠন জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জিয়া পরিষদের প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, আব্দুল্লাহিল মাসুদ, ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আলম, ডা. মোহাম্মদ আলী, এডভোকেট দেওয়ান মাহফুজুর রহমান ফরহাদ, ইঞ্জিনিয়ার অধ্যাপক আক্তার হোসেন, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বক্তব্য রাখেন।
এসময় জেড খান রিয়াজ উদ্দীন নসু, বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত