ঢাকার সাভারের ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনই প্রয়োজনীয় ভোট না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সাভার উপজলার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাজেয়াপ্ত করা হয়। সে অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ৮৬ হাজার ৩৬১ জন। এর মধ্যে গতকালের নির্বাচনে ভোট কাস্ট হয়েছে ২৫ হাজার ৮৩৮টি।
জামানত বাজেয়াপ্তকৃত প্রার্থীরা হলেন- ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী বকুল ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ২৯৮ ভোট, যা পোলকৃত মোট ভোটের শতকরা ১.১৫ ভাগ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৫৮০ ভোট, যা পোলকৃত মোট বৈধ ভোটের শতকরা মাত্র ২.২৫ ভাগ।
অটোরিকশা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আকবর হোসেন মৃধা। তিনি পেয়েছেন ৭১৯ ভোট যা, পোলকৃত ভোটের প্রায় ২.৭৮ শতাংশ।
মোটর সাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ১১৪৫ ভোট, যা পোলকৃত ভোটের প্রায় ৪.৪৩ শতাংশ।
সাভার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, কোনো প্রার্থী মোট ভোটের শতকরা আট ভাগেরও কম ভোট পেলে তিনি জামানত হারাবেন। তাকে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় দেওয়া জামানতের টাকা ফেরত দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর সাভারের ৪নং ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ভূঁইয়ার মৃত্যুতে এই আসনটি শূন্য হওয়ায় বৃহস্পতিবার এখানে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১১ হাজার ৬২০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম আহমেদ সুমন ভূঁইয়া। তিনি প্রয়াত চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ভূঁইয়ার পুত্র এবং আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত