১৯৩ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু পেয়েছিল হংকং। পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট হারিয়ে দলীয় অর্ধশতকের দেখা পেয়ে যায় নিজাকাত খানের দল। পুঁচকে হংকংয়ের জন্য এ লক্ষ্য সুবিশাল ছিল। দলে হার্ড হিটার না থাকায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত কেবল ৫ উইকেটে ১৫২ রান করতে সক্ষম হয় বাছাই পর্ব পেরিয়ে আসা দলটি। আর তাতেই ৪০ রানের জয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে রোহিত শর্মার দল।
বাছাই পর্বে অপরাজিত থাকা হংকং বার্তা দিয়েছিল বড় কিছুর। কিন্তু শক্তিমত্তায় হ্যাভিওয়েট ভারতের বিপক্ষে বলার মতো তেমন কিছু করতে পারেনি তারা। ১৯৩ রানের লক্ষ্যে দারুণ শুরু পেলেও তা ধরে রাখতে পারেনি দলটি। হংকংয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান আসে বাবর হায়াতের ব্যাট হতে।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ধীর গতির শুরু পায় ভারত। অধিনায়ক রোহিত শর্মা পাওয়ার প্লেতেই সাজঘরে ফিরে যান। ১৩ বলে ২১ রান করেন এ ওপেনার। অপরদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে রানের খাতা খুলতে না পারা লোকেশ রাহুল আজ রানের দেখা পেয়েছেন। তবে এ ডানহাতি ব্যাটারের খেলার ধরণ মোটেও টি-টোয়েন্টি সুলভ ছিল না। ৩৯ বলে ৩৬ রান করে ১৩তম ওভারে আজঘরে ফেরেন রাহুল।
অপরদিকে দীর্ঘ দিন ধরে ফর্ম খরায় ভুগতে থাকা বিরাট কোহলি আজ রানে ফিরেছেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে সুর্যকুমার যাদবকে সঙ্গে নিয়ে ৪২ বলে ৯৯ রানের দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়েন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় ভারত। কোহলি ৪৪ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজের নামের প্রতি সুবিচার না করতে পারা যাদব আজ খেলেছেন বিধ্বংসী এক ইনিংস। ২৬ বলে ৬৮ রানের অপরাজিত ইনিংসটি সাজানো ছিল ছয়টি চার ও ৬টি ছক্কার মারে।
বিধ্বংসী ইনিংসের জন্য ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন সূর্যকুমার যাদব। ভারতের এ জয়ে গ্রুপ 'এ' থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে রোহিত শর্মার দল। পাকিস্তান এবং হংকং দলের বিজয়ী দল ভারতের সঙ্গে সুপার ফোরে যাবে।
পি এস / এন আই
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত