
ভারতের মধ্যপ্রদেশে নিজ স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহের বশবর্তী হয়ে কলহের সময় শ্বশুরকে কুঠার দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন এক ব্যক্তি। এ সময় তার স্ত্রীর বড় বোন বাধা দিতে এলে তিনি তাকেও কুপিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে মধ্যপ্রদেশের দামো জেলার পিপ্রাউধা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভির।
বাতিয়াঘর পুলিশ স্টেশনের এসপি আনন্দ কালার্গি বলেছেন, রামপ্রসাদ রায়কোয়ার নামের ওই ব্যক্তি তার স্ত্রী রাশ্মির চরিত্র নিয়ে সন্দেহের বশবর্তী হয়েই এ কাজ করেছেন।
রামপ্রসাদ তার স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহে শ্বশুর ও স্ত্রীর সঙ্গে কলহের পর শ্বশুরবাড়িতেই ছিলেন। তার শ্বশুর রমেশ রায়কোয়ার (৬৫) ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় জামাতা রামপ্রসাদ কুঠার দিয়ে তাকে কোপান এবং ঘটনাস্থলেই রমেশের মৃত্যু হয়।
এসপি কালার্গি বলেন, অপরাধ সংঘটনের পরই অভিযুক্ত পালিয়ে যান। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলমান।
পুলিশ আরও জানায়, চিৎকার চেঁচামেচি শুনে রমেশের বড় মেয়ে রামপ্রসাদকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু অভিযুক্ত তাকেও কুপিয়ে আহত করেন। আহত নারীকে স্থানীয় বাতিয়াঘর হেল্থ সেন্টারে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, রামপ্রসাদ তার স্ত্রীকে নিয়ে কয়েক মাস আগে কাজের উদ্দেশে মুম্বাইয়ে যান। সেখানেও তিনি তার স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহ ত্যাগ করতে পারেননি।
বিবাদ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে গেলে শ্বশুরবাড়িতে যান রাশ্মি। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় তিনি তার বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে অভিযুক্ত রামপ্রসাদ সেখানে যান।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মদ্যপান করে মাতাল অবস্থায় রোববার শ্বশুরবাড়ির লোকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে রামপ্রসাদ ঘর থেকে বের হয়ে যান।
সারাদিন বাড়ির বাইরে থাকার পর তিনি ফিরে ভোর চারটার দিকে শ্বশুরের ওপর হামলা চালান এবং এর পরপরই পালিয়ে যান।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত