
খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেছেন, “বর্তমান প্রশাসন দায়সারা দায়িত্ব পালন করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তায় সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এখন বাড়ি থেকে বের হলে জীবিত ফিরে আসার নিশ্চয়তা নেই। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ।”
বুধবার বিকেলে ল্যাবরেটরি স্কুল মোড়ে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যোগিপোল ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মো. মামুন শেখের দলীয় কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের বোমা ও গুলিতে স্কুল শিক্ষক মো. ইমদাদুল হক নিহত এবং বিএনপি নেতা মামুন শেখসহ কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে খানজাহান আলী থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলো।
এডভোকেট মনা বলেন, “এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে না পারলে প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। অতীতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিনা কারণে গ্রেপ্তার করা হলেও, এখন খুনি ও দুষ্কৃতিকারীদের ধরতে প্রশাসন ব্যর্থ হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী নির্বাচনের পর গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলে প্রশাসনের এই পক্ষপাতমূলক আচরণের জবাব দিতে হবে।”
সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী। সভাপতিত্ব করেন খানজাহান আলী থানা বিএনপি সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি, শ্রমিক দল, মহিলা দল ও ছাত্রদল নেতারা।
উল্লেখ্য, গত ২ নভেম্বর রাতে আড়ংঘাটা থানার আইটি গেট এলাকার একটি দলীয় কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের বোমা ও গুলিতে শিক্ষক মো. ইমদাদুল হক নিহত হন। হামলায় ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা মামুন শেখসহ তিনজন আহত হন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত