তালপুকুরের দীঘির মতো গভীর চোখের রমণী পূজা চেরী। ওই দীঘির অতলে স্রষ্টা স্থাপন করেছেন এক নেশাতুর মায়ার ঘূর্ণিপাক। সে পাকে সাড়া দিয়ে বিনাবাক্যে আত্মাহুতি দিতে প্রস্তুত অজস্র হৃদয়।
এই লাস্যময়ী তার দীঘিজোড়া আধবোজা করে আনত মস্তকে নিজেকে মেলে ধরেছেন সামাজিক মাধ্যমে। দেখে মনে হচ্ছে পূর্ণিমার চাঁদ যেন তার সবচেয়ে মায়াবী জোছনাটুকু আজই প্রথম প্রকাশ করল।
মোহনীয় পূজা তার কালোজিরে রঙের অবাধ্য চুলগুলো বন্দী করেছেন ঘিয়ে রঙের হিজাবে। যেন আবৃত হয়েও অনাবৃত করে উসকে দিয়েছেন নিজের সৌন্দর্য।
নম্রতামাখা লাস্যময়ীর মসৃণ বাদামি রঙের ত্বক দেখে মনে হচ্ছে মুখাবয়বে যেন সৌন্দর্যের পলি মেখে দিয়েছেন ঈশ্বর। তার মাঝে ডালিম দানার মতো স্পষ্ট হয়েছে পাতলা ঠোঁট দুটি। যেন ঊষার আকাশে ভেসে উঠেছে এক ফালি চাঁদ।
পূজার পাতার বাঁশির মতো ঠোঁটের কোণায় ছড়িয়ে আছে এক ফোঁটা রহস্যময় হাসি! যে হাসি সবার চোখে পড়ে না। এ হাসি খুঁজে পেতে কবি হতে হয়, প্রেমিক হতে হয়। মোনালিসার ওষ্ঠে এই হাসি আঁকতে ভিঞ্চিকে সাধকের মতো অপেক্ষা করতে হয়েছে বছরের পর বছর।
চকচক করছে পূজা নামের অপ্সরার ভ্রু যুগল ও পাপড়ি। যেন ওখানে আলতো চুম্বনের সুযোগ ঘুচিয়ে দেবে প্রেমিকের শত বছরের জমে থাকা পাপ। তার গালের দেয়ালে হেলান দিলে ভালোবাসা অনুভব করবে স্বর্গীয় প্রশান্তি।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত