
বড় দুই দলকে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার এইটে ওঠা জিম্বাবুয়ের বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে বোর্ডে আসরের সর্বোচ্চ ২৫৪ রান জমা করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট হারানোর চাপ সামলে শিমরন হেটমায়ার ও রভম্যান পাওয়েলের ঝড়ে ক্যারিবিয়রা এই রান করেছে।
এতদিন আসরের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ওমানের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের করা ৫ উইকেটে ২৩৫। চলমান আসরে অষ্টমবারের মতো দলীয় সংগ্রহ ছাড়ালো দুশ’র বেশি।
আর বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার আড়াইশ ছাড়ানো দলীয় সংগ্রহ হলো। বিশ্বকাপের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহও এটি। কেনিয়ার বিপক্ষে ২০০৭ সালের আসরে ৬ উইকেটে ২৬০ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা, যা কি না এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সিকান্দার রাজার ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত কাজে দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য। ধন্যবাদ পেতেই পারেন তিনি প্রতিপক্ষের কাছ থেকে। বিশেষ করে মুসেকিওয়া ধন্যবাদ পাবেন হেটমায়ারের কাছ থেকে। ৯ ও ৭০ রানে দুবার তিনি ছেড়েছেন তার ক্যাচ। আর জীবন পেয়ে খেলেছেন ৩৪ বলে ৮৫ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস।
পাওয়ার প্লেতে ৫৫ রান যোগ হয় উইন্ডিজের। বোর্ডে যখন ১৭ রান, তখন ব্র্যান্ডন কিং ফিরে যান ৯ রান করে। অধিনায়ক শাই হোপ ১৪ রান করে ব্র্যাড ইভান্সের শিকারের পরিণত হলে ৫৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ক্যারিবিয়রা। পরের ৯ ওভারে বোর্ডে যোগ হয় ১২৪ রান। যার মূল কারিগর হেটমায়ার ও পাওয়েল।
মাত্র ১৯ বলে ফিফটি করে হেটমায়ার। তার ব্যাটে অনুপ্রাণিত হয়ে জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চড়াও হন রভম্যান পাওয়েলও। তিনি ফিফটি তুলে নেন ২৯ বলে। ২৫০ স্ট্রাইকরেটে হেটমায়ার ৭ চার ও ৭ ছক্কায় ৮৫ রান করে সাজঘরে ফিরলে ভাঙে ১২২ রানের জুটি। দলীয় ১৭৬ রানে হেটমায়ারের বিদায়ের পর বোর্ডে যখন ১৯৪ রান, তখন ব্লেসিং মুজারাবানির বলে ৫৯ রানে আউট হন পাওয়েল। সমান ৪টি করে চার ও ছয় মারেন তিনি।
শেষ ৫ ওভারে ক্যামিও ইনিংস আসে শেরফান রাদারফোর্ড ও রোমারিও শেফার্ড। আউট হওয়ার আগে ৩ ছক্কায় শেফার্ড করেন ১০ বলে ২১। আর রাদারফোর্ড অপরাজিত ছিলেন ১৩ বলে ৩১ রান করে। ৪ বলে ১৩ রান করে আউট হন জেসন হোল্ডার। শেষদিকেই এই ইনিংসগুলোই দলকে এনে দেয় আড়াইশ ছাড়ানো সংগ্রহ।
জিম্বাবুয়ের হয়ে ২ উইকেট পেয়েছেন রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি। একটি করে ব্র্যাড ইভান্স ও গ্রায়েম ক্রেমার।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত