সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড, সিঙ্গাপুর পোর্টে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের চালান সীমিত করায় বিপাকে পড়েছে চট্টগ্রামের ৪টি বেসরকারি ডিপো।
রফতানির জন্য এসব ডিপোতে আটকা পড়েছে ১০৫ কনটেইনার হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড।
প্রতি কনটেইনারে ১২ টন করে হিসাব করলে এসব কনটেইনারে আছে ১ হাজার ২৬০ টন হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড।
বেসরকারি কনটেইনার ডিপো (অফডক) মালিকদের সংগঠন বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন বিপ্লব বাংলানিউজকে বলেন, বিএম ডিপোর দুর্ঘটনার পর অন্য যে চারটি ডিপোতে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড রয়েছে সেগুলো দ্রুত শিপমেন্ট বা কারখানায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর পোর্ট দিয়ে এসব কনটেইনার পাঠানো না গেলে পোর্ট কেলাং বা অন্য বন্দর দিয়ে পাঠানোর সুযোগ আছে কিনা দেখতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে এসব কনটেইনার নিজ নিজ কারখানায় নিয়ে যেতে বলা হতে পারে।
বিএম ডিপোর অক্ষত পণ্য শিপমেন্ট প্রসঙ্গে বিকডার এ কর্মকর্তা বলেন, সেখানে অনেক তদন্ত টিম কাজ করছে। এখনো পুড়ে যাওয়া পণ্য, অক্ষত পণ্যের হিসাব পাইনি আমরা। তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী কার্যক্রম। এর সঙ্গে বন্দর, কাস্টম, সিঅ্যান্ডএফ, আমদানিকারক, রফতানিকারক, বিজিএমইএ, শিপিং এজেন্ট, ডিপো কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, বিস্ফোরক অধিদফতর, পরিবেশ অধিদফতরসহ অনেক স্টেকহোল্ডার সম্পৃক্ত।
সূত্র জানায়, দুর্ঘটনার পর বিজিএমইএ প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অক্ষত রফতানি পণ্য শিপমেন্টের আহ্বান জানিয়েছে। বিভাগীয় কমিশন গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিলে সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। সিআইডি বিএম ডিপো থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।
বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে ফায়ার সার্ভিসের ১০ জনসহ এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৪৮ জন। আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক।
পিএসএন/এমআই
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত