ভারতের অরাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি আজ শুক্রবার রাজধানী নয়াদিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। তবে পতাকা উড়াতে যেন কেউ সেখানে জড়ো না হতে পারে সেজন্য দিল্লিতে নতুন করে আবারও কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর ককরোচ পার্টির দুই সহপ্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস দিল্লির যন্তরমন্তরে পতাকা নিয়ে যান। ওই সময় তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশি রিমান্ডে নেওয়া হয়। আর ওই গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার ককরোচের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জাতীয় পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন। আর এটি ঠেকাতেই নতুন করে আবারও পুলিশ মোতায়েন করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশ ‘প্রশাসনিক’ কারণ দেখিয়ে আজ শুক্র ও শনিবার দিল্লি সেন্ট্রাল পার্ক জনসাধারণের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে। বলা হয়েছে, সেখানে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
এরমধ্যে অভিজিতের দিল্লির বাড়িতে সরাসরি পুলিশ যায়। তারা অভিজিৎকে জানিয়ে আসে, দিল্লিতে তিনি কোনো জনসমাগম করতে পারবেন না। এ সময় তিনি প্রশ্ন করেন পতাকা উড়ানো কোনো অপরাধ কি না। ওই সময় পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পতাকা উড়ানো কোনো অবৈধ কাজ নয়, তবে এজন্য অনুমতি নিতে হবে। আর অনুমতি ছাড়া কোনো আন্দোলন অবৈধ।
গত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেছিল ভারতের তরুণরা। কিন্তু ট্রেন, মেট্রোরেলসহ অন্যান্য যানবাহন বন্ধ করে ও দিল্লিতে অঘোষিত লকডাউন আরোপ করে সেদিন কাউকে যন্তরমন্তরে যেতে দেয়নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার।


