করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের কোথাও কোথাও বাড়ির দাম কমেছে, আবার বেড়েছে। মার্কিনভিত্তিক শীর্ষ অনলাইন জার্নাল সাইট ডেমোগ্রাফিয়ার সমীক্ষা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রকেই বাড়ি কেনার জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সমীক্ষা অনুযায়ী, আবাসনের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী শহর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া রাজ্যের পিটসবার্গ। খবর ব্লুমবার্গের
এ ছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চীনের হংকং। ডেমোগ্রাফিয়া ইন্টারন্যাশনাল হাউজিং স্টাডির মূল্যায়নে ৯২টি শহরের তালিকা প্রকাশ করা হয়। আবাসনের জন্য সাশ্রয়ী শহর হিসেবে ওই তালিকায় নিউইয়র্কের অবস্থান ৭৩ ও লন্ডনের অবস্থান ৭৯তম।
২০২১ সালে বাড়ির দামের সঙ্গে মানুষের আয় অনেক কমেছে। সমীক্ষা বলছে, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, হংকং, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্যসহ বড় অর্থনীতির দেশগুলোতে মহামারি চলাকালীন বাড়ির দাম বেড়েছে।
গবেষক ওয়েন্ডেল কক্স জানান, মহামারির কারণে মানুষের আবাসন ক্রয়ক্ষমতা অস্বাভাবিকভাবে কমেছে।
আবাসন ক্রয়ে সবচেয়ে সাশ্রয়ী শহরের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ, ওকলাহোমা সিটি, রচেস্টার, সেন্ট লুইস ও কানাডার এডমন্টনের নাম উঠে এসেছে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, মেলবোর্ন, কানাডার ভ্যানকুভার, যুক্তরাষ্ট্রের সান জোসে ব্যয়বহুল শহরের মধ্যে স্থান পেয়েছে।
এদিকে আবাসন খরচ বাড়তে থাকায় আগামী দুই বছরের জন্য অধিকাংশ বিদেশিদের বাড়ি কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে কানাডা। সেই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট বাজারে স্থিতিশীলতা আনার চেষ্টা করছে দেশটি।
অন্যদিকে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চলতি জুনে যুক্তরাজ্যে বাড়ির দাম সর্বোচ্চ রেকর্ড ছুঁয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সুদের হার এবং জীবনযাপনের খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় রিয়েল এস্টেট বাজারের ওপর বেশ একটা ধাক্কা আসবে।
পিএসএন/এমআই
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত