খুলনার দৌলতপুর থানার নতুন রাস্তা মোড়ের এনা কাউন্টারের টিকেট বিক্রেতা ইমন মালকে (২১) গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ছেলেটি জীবিত আছে।
আজ রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে ওই কাউন্টারের বাথরুম থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ধারালো ব্লেড উদ্ধার করে। তাকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় স্থানীয়রা।
ইমন মাল দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের সাজু মালের ছেলে। সে খুলনার দৌলতপুর কলেজের শিক্ষার্থী।
স্থানীররা জানায়, মাগরিবের নামাজের পর পর এনা পরিবহনের কাউন্টার থেকে ইমনকে গলাকাটা অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।
পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপতালে নেওয়া হয়। বাথরুম থেকে একটি নতুন ও ধারালো ব্লেড উদ্ধার করা হয়। তার দু’হাতেও ক্ষতের দাগ রয়েছে।
ইমন মালের বাবা সাজু মাল বলেন, বিএল কলেজের শিক্ষার্থী সে। পড়াশুনার পাশাপাশি সে একটি কাজ খুঁজছিল। শনিবার সে দৌলতপুর থানার নতুনরাস্তা মোড়ের এনা পরিবহনের টিকেট বিক্রেতা হিসেবে নিয়োগ নেয়।
আজ রবিবার দুপুর ৩টার দিকে বাড়ি থেকে কাউন্টারের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়।
সন্ধ্যায় ফোন দিয়ে তাকে জানানো হয় তার ছেলে অসুস্থ। সেখানে গিয়ে জানতে পারলাম তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এখানে এসে দেখি তার অবস্থা গুরুতর।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোরাদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ব্লেডে রক্ত মাখা ছিল এবং ব্লেডটি নতুন ছিল।
তাছাড়া ঘটনাস্থালে সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করে দেখা গেছে বাইরে থেকে ভেতরে বা ভেতর থেকে বাইরে কেউ যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিজেই নিজেকে শেষ করে ফেলার চেষ্টা করেছিল ইমন মাল। তবে কী কারণে সে এটা করেছে তা এখনও পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।


