
খুলনা-১ আসনের (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) বিএনপি প্রার্থী আমীর এজাজ খান সকালে বটিয়াঘাটা উপজেলার খারাবাদ বাইনতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর কৃষ্ণ নন্দী এ আসনের ভোটার নন। তিনি ভোট দেন খুলনা-৫ আসনের চুকনগর দিব্যপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।
খুলনা-২ আসনের (সদর-সোনাডাঙ্গা) ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকালে টুটপাড়া মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন। প্রতিদ্বন্দি অপর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল সকালে মতিয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তার ভোট প্রদান করেন।
খুলনা-৩ আসনের (খালিশপুর-দৌলতপুর-আড়ংঘাটা) বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল খালিপুর মাওলানা ভাষানী বিদ্যাপীঠে ভোট দেন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান দৌলতপুর থানাধীন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস কেন্দ্রে তার ভোট প্রদান করেন।
খুলনা-৪ আসনের (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া) বিএনপির প্রার্থী এস কে আজিজুল বারী হেলাল রূপসা উপজেলার আইচগাতীর খান জেবুন্নেছা মহিলা কলেজে এবং প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. সাখাওয়াত হোসাইন রূপসার কাজদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন।
খুলনা-৫ আসনের (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার সকাল সাড়ে ৭ টায় খানজাহান আলীর শিরোমনি পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তার ভোট প্রদান করেন। এ আসনের আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপির আলী আসগার লবি খুলনা-২ আসনের ভোটার। তিনি ভোট দেন সেন্ট যেসেফ হাই স্কুলে।
খুলনা-৬ আসনের (কয়রা-পাইকগাছা) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ সকাল সাড়ে ৭ টায় কয়রা উপজেলার গড়িয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন। প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী বিএনপির মনিরুল হাসান বাপ্পী খুলনা-৪ আসনের ভোটার। তার নির্বাচনী এলাকার দুরত্ব থাকায় তিনি এবার ভোট দিতে পারেননি।
ভোট দিয়ে বের হয়ে এসে সকল প্রার্থীরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত