খুলনা (০২ মে)
খুলনা মহানগরীর বয়রাস্থ বিভাগীয় পোস্টমাস্টার জেনারেলের কার্যালয় সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটা হয়েছে।
শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এ ঘটনাটি ঘটে। এ নিয়ে খুলনার পরিবেশবাদীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, বন বিভাগের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নিরাপত্তা কর্মকর্তার উপস্থিতিই মেহগুনিসহ বিভিন্ন প্রকার গাছ কাটা হয়েছে। যার সংখ্যা শতাধিক হবে এবং আর্থিক মূল্য প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকা। ঘটনাস্থলে কাটা গাছের স্তূপ ও কাঠ সরানোর দৃশ্যও দেখা গেছে।
খুলনার পোস্টমাস্টার জেনারেল (পিএমজি) কবির আহমেদ বলেন, তিনি শুধুমাত্র এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে কর্মচারীরা সেই নির্দেশের অপব্যবহার করে বেশকিছু গাছ কাটাছে আমি শুনছি। তবে এর সঙ্গে যারা জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হব বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, এপিএমজি (নিরাপত্তা) মোঃ সাইদুল আলম বলেন, বলেন সাম্প্রতিক ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছ অপসারণ করতে গিয়ে কিছু ভালো গাছও কাটা হয়েছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দায়িদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাবাসীর অভিযোগ, কয়েকদিন আগে পিএমজি নিজেই গাছ কেটে পিকআপযোগে সরিয়ে নিয়েছেন। যা কর্মচারীদের মধ্যে গাছ কাটার প্রবণতা বাড়িয়েছে। যদিও এ অভিযোগের তিনি অস্বীকার করেন।
বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই এভাবে গাছ কাটার ঘটনায় পরিবেশবিদ ও সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ বাবুল হাওলাদার নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গাছের ছবি দিয়ে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, “কেউ কি বলতে পারেন খুলনা মহানগরীর পিএমজি কলোনীস্থ গাছগুলো কেন কাটা হচ্ছে ?”
তিনি বলেন, যারা গাছ কেটেছেন তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তা’না হলে নগরবাসীকে সাথে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।


