জখম ব্যক্তিরা হামলাকারীদের বিষয়ে কিছুই জানেন না?
পহেলা মে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সময়ে নগরীর লবণচরা থানা এলাকার পৃথক দুটি স্থানে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা দুইজনকে গুলি করে জখম করেছে। কেন এই হামলা, কারা এর সাথে জড়িত—এ বিষয়ে ভিকটিম দুইজনই পুলিশকে কিছু জানাতে পারেননি; তাদের বক্তব্য, “জানি না।” আহত ব্যক্তিরাও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হিসেবে অভিযুক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার অভিযোগ রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি।
আহতরা হলেন—লবণচরা থানার মাথাভাঙ্গা এলাকার রুস্তম হাওলাদারের ছেলে মোঃ রাসেল (৩৫) এবং বটিয়াঘাটা উপজেলার গওঘরা গ্রামের নজরুলের ছেলে তাইজুল (৩২)। তাদের দুজনকেই পায়ে গুলি করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কোনো গুলির খোসা আলামত হিসেবে উদ্ধার করতে পারেনি। বর্তমানে তারা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছেন।
জানা গেছে, আহত রাসেল একসময় একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। সম্প্রতি তিনি তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এর জের ধরে তাকে গুলি করা হয়ে থাকতে পারে বলে গোপন সূত্রের বরাতে কেএমপির বিশেষ শাখার এক কর্মকর্তা দৈনিক জন্মভূমিকে জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, সকালে ভুতের আড্ডা নামক স্থানে মালেক নামে এক ব্যক্তির চায়ের দোকানের সামনে থেকে ৫-৭ জনের একটি দল রাসেলকে ডেকে নিয়ে পায়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। অন্যদিকে দুপুরে সাচিবুনিয়া মোড় এলাকায় তাইজুল ৪-৫ জনের সঙ্গে কথা বলার সময় হঠাৎ তারা তার পায়ে গুলি করে দুটি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।
লবণচরা থানার ওসি সরদার মোশারেফ হোসেন শনিবার সন্ধ্যায় জানান, আহত দুইজনই হামলাকারীদের বিষয়ে মুখ খুলছেন না। তাদের পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করে জড়িতদের শনাক্ত, গ্রেফতার এবং আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে।


