খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সহচর বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলায়েত হোসেন বাচ্চু মিয়ার ছিলেন আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি গোপালগঞ্জে জন্মগ্রহণ করলেও পাকিস্তানী আমলেই খুলনায় আসেন। তখনকার দুঃসময়ে তিনি প্রতিদিন দলীয় অফিসে অতন্ত্র প্রহরীর মতো থাকতেন। নেতা-কর্মীদের উৎসাহ ও সাহস যোগাতেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই খুলনায় রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করেন তিনি। ’৭৫ পরবর্তী দুঃসময়ে দলের কান্ডারী ছিলেন। লোভ লালসার কাছে তিনি কখনো আপোষ করেনি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাঝে বেলায়েত হোসেন বাচ্চু মিয়া আদর্শের প্রতীক হয়ে থাকবেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় দলীয় কার্যালয় মহানগর আ’লীগের স্মরণ সভা ও দোয়ায় সভাপতির বক্তৃতায় সিটি মেয়র এসব কথা বলেন।
স্মরণ সভা বিশেষ অতিথির বক্তৃতা দেন মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সদর থানা সভাপতি এড. মোঃ সাইফুল ইসলাম। এ সময় পিতার স্মৃতিচারণ করেন সদর থানা মহিলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরীনা রহমান বিউটি।
মহানগর আ’লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুলের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন আ’লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, এড. অলোকা নন্দা দাস, হালিমা ইসলাম, কামরুল ইসলাম বাবলু, মোজাম্মেল হক হাওলদার, রুনু ইকবাল বিথার, এস এম আকিল উদ্দিন, রনজিত কুমার ঘোষ, মোঃ সফিকুর রহমান পলাশ, চ ম মজিবুর রহমান, নুর ইসলাম, ইউসুফ আলী খান, মোঃ আজম খান, মোঃ ফয়েজুল ইসলাম টিটো, এড. শেখ শামিম আহম্মেদ পলাশ, শেখ নজিবুল ইসলাম নকিব, মোঃ কামরুল ইসলাম, নুরজাহান রুমি, সবনাম সাবা, মরহুমের কন্যা ফারহানা হক বপি, কামরুন নাহার কাজল, রেজওয়ানা প্রধান, রিতা আলম, হাসিনা চৌধুরী, রোকেয়া রহমান, রেখা খানম, কহিনুর বেগম, মাকসুদা হক পাখি, মিনু আহম্মেদ, আফরোজা জেসমিন বিথি, নাসরিন ইসলাম তন্দ্রা, শাহারিয়র রহমান রাহুল, মরহুমের সন্তান জাবেদ হোসেন ডিউক ও রিয়াজাৎ হোসেন জন, মোঃ আশরাফ আলী হাওলাদার প্রমুখ। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মোঃ আব্দুর রহিম খান।
প্রকাশক ও সম্পাদক- আলি আবরার । নিরালা, খুলনা থেকে প্রকাশিত