বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে পূর্ব সুন্দরবনের কচিখালী ও কটকা অভয়ারণ্য পর্যটন কেন্দ্র। দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় বুধবার তিন শতাধিক পর্যটক সুন্দরবনে ঘুরতে গেছেন। বর্তমানে সাগরে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের অন্যতম পর্যটন স্পট কচিখালী অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্টার দিলীপ মজুমদার বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে জানান, বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের মধ্যে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) উৎসাহী পর্যটকের ঢল নামে কচিখালীতে। এদিন শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু পর্যটক সুন্দরবনে বেড়াতে আসেন। ৮টি জাহাজে করে তিন শতাধিক পর্যটক সুন্দরবনে এসেছেন। পর্যটকগণ কচিখালীতে ঘুরে কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রে চলে যান। ১ সেপ্টেম্বর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ভ্রমণপিপাসু মানুষ ট্যুর অপারেটরের জাহাজে করে সুন্দরবনে আসেন বলে দিলীপ মজুমদার জানান। কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্টার তানভীর হাসান ইমরান বলেন, সাগরে বৈরী আবহাওয়ায় জোয়ারে প্লাবিত হয় কটকা বনাঞ্চল। জোয়ারের পানির মধ্যেও পর্যটকেরা সুন্দরবনের মধ্যে হেঁটে বেড়িয়েছেন।
ট্যুর অপারেটর অব সুন্দরবন (টোয়াস)-এর সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম কচি বলেন, সুন্দরবনে পর্যটনের তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার আগেই পর্যটকেরা সুন্দরবনে যাওয়ার জন্য জাহাজে আগাম বুকিং করে রাখেন। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার প্রথম দিনে তাঁদের ৭টি জাহাজ তিন শতাধিক পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনে গেছে। আবহাওয়ার পরিস্থিতি দেখে জাহাজ নিরাপদে চলাচল করে থাকে বলে টোয়াস সেক্রেটারি জানিয়েছেন।


